চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেকার প্রায় ১২০০ স্বর্ণ কারিগর
করোনাভাইরাস-(কোভিড-১৯) এর কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার স্বর্ণ-শিল্পের মালিকদের দোকান বন্ধ থাকায় স্বর্ণশিল্পী কারিগররা কষ্টকর জীবন-যাপন করছে। সারাবছর ঢিংঢাং শব্দে স্বর্ণ কারিগররা কাজ করে। এখন একেবারে পুরোপুরি বেকার তারা। তাদের হাতে কাজ থাকলেও দোকান বন্ধ রাখতে বা ধ্য হয়েছে দোকান মালিক ও শ্রমিকগন।
স্বর্ণ-কারিগর-শ্রমিকদের সাধারণ সময় ছাড়াও বিশেষ করে বিয়ে,পূজা, ঈদ সহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে তাদের কাজ বেশী হয়ে থাকে। সবচেয়ে বড় মৌসুম রোজার ঈদ, ঈদুল আজহা, হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের কাজের পরিমাণ সবচেয়ে বেশী। করোনার কারণে সরকারি নির্দেশনায় গত ২৪ মার্চ থেকে সকল অনুষ্ঠান বন্ধ রাখাসহ অত্যাবশকীয় দোকান ব্যতীত সকল দোকান বন্ধ করে দেয়া হয়।
এতে করে স্বর্ণের দোকান মালিকরাও বন্ধ করে দেয় তাদের দোকান ও কারখানা গুলো। আয় বন্ধ হয়ে পড়ায় জেলার বড়, মাঝারি ও ক্ষুদ্র মালিকরাও এখন বিপর্যস্ত, পাশাপাশি কারিগররা পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
এই অনিশ্চয়তা কবে নাগাদ কাটবে তারও কোনও ধারণা নেই তাদের। জেলা শহরের পুরাতনবাজার, বাসুনিয়াপট্টি, হুজরাপুর, দাউদপুর রোডসহ বিভিন্ন স্থানে স্বর্ণের দোকান রয়েছে। কারিগররা বিভিন্ন ডিজাইনের গহনা তৈরির জন্য অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করতেন তারা।
বেকার হয়ে পড়েছে জেলা শহরের প্রায় ৬০০শত কারিগরসহ জেলায় ১ হাজার স্বর্ণের কারিগর। ফলে শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় তারা এখন মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন। নিজ নিজ কর্মস্থান ও কারখানা বন্ধ রেখে বাড়ীতে অবস্থান করছেন তারা। এ পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন শ্রমিক সহ কারখানা মহাজনগন।
