ব্রেকিং নিউজঃ

নড়াইলের মধুমতী নদীর বদলে যাচ্ছে গতিপথ!

নড়াইলের মধুমতী নদীর গতিপথ বদলে যাচ্ছে। গত ছয় বছর ধরে নড়াইলের লোহাগড়া ও ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী নড়াইলের লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়ন এলাকায় গতিপথের এ পরিবর্তন হচ্ছে। উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, এতে করে আলফাডাঙ্গার টগরবন্ধ ইউনিয়নের নয়টি গ্রাম ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

তবে ভাঙনের হুমকির মধ্যে আছে এই ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রাম। এ ছাড়া নতুন করে ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের তিনটি গ্রাম। গত রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, নদীটি জয়পুর ইউনিয়নের আস্তাইল এলাকার পর অন্তত ১৫ কিলোমিটার ঘুরে ডিম্বাকৃতির মতো আবার আস্তাইলে এসে লোহাগড়ার আমডাঙ্গার মাঝ দিয়ে প্রবাহ ছিল।

এতে আস্তাইল এলাকায় উভয় গতিপথের মাঝে মাত্র ৫০ ফুট এলাকা স্থল ছিল। ২০১৩ সালে বর্ষায় এক রাতে ওই ৫০ ফুট এলাকায় প্রবল গতিতে ভেঙে নদী বের হয়ে যায়। তখন থেকে আগের ওই ১৫ কিলোমিটার এলাকায় প্রবাহে স্রোত কমতে থাকে। পড়তে থাকে চর। শুকনা মৌসুমে আগের প্রবাহ এলাকায় প্রায় শুকিয়ে যায়।

এতে টগরবন্ধ ইউনিয়নের টিঠা-পানাইল, সাতবাড়িয়া, নন্দীগ্রাম, ফুলবাড়িয়া, পানাইল, ঘিদাহ, টিঠা, তিতুরকান্দি ও কৃষ্ণপুর ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তনের আগে ওই নয়টি গ্রামে তীব্র ভাঙন ছিল।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, লোহাগড়ার আমডাঙ্গা গ্রামটি কয়েক দশক ধরে নদীতে ভেঙে তিনটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙনের ফলে নদীর এ পারে পিছিয়ে বসতি গড়েছেন অনেকে, এটি মূল আমডাঙ্গা। ভাঙনের কবলে পড়ে গ্রামের বেশির ভাগ পরিবার নদীর অপর পারে বসতবাড়ি করেছে।

সে অংশের নাম এখন পারআমডাঙ্গা। আরেক অংশ ওই ডিম্বাকৃতি এলাকার মধ্যে চারপাশ দিয়ে নদীবেষ্টিত আস্তাইল-আমডাঙ্গায় বসতি গড়েছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে আস্তাইল-আমডাঙ্গা অংশটি তীব্র ভাঙনে ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

নতুন করে ভাঙন এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে লোহাগড়ার পারআমডাঙ্গা ও ছাগলছিড়া গ্রামে। গতিপথ পরিবর্তনের আগে মূল আমডাঙ্গা গ্রাম ঘেঁষে নদীর প্রমত্তা প্রবাহ ছিল।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

October 2026
F S S M T W T
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031