• আজঃ মঙ্গলবার, ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং
  • English
ব্রেকিং নিউজঃ

ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন থেকে তুলে শিক্ষার্থীকে হাতুড়িপেটা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন থেকে তুলে নিয়ে দুই শিক্ষার্থীকে হাতুড়িপেটা করার ঘটনা ঘটেছে।

মানববন্ধন চলাকালে লঞ্চঘাটের সামনে গাড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে ঘাট কর্তৃপক্ষের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ফতুল্লা মডেল থানার পাশেই এ ঘটনায় ঘটে। তাৎক্ষণিক অভিযোগও করা হয়েছিল পুলিশকে।

কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করায় গুরুতর আহতদের সঠিক সময় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

আহতরা হলেন- ঢাকা টিএন্ডটি কলেজের ছাত্র মিলন ও বন্দর কদম রসূল কলেজের ছাত্র মাসুম। মঙ্গলবার বিকালের এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও সাংবাদিকরা গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সারা দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ নির্যাতন হত্যার বিচার দাবিতে ফতুল্লার সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে কয়েক শ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।

সেখানে গিয়ে সংহতি প্রকাশ করে জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক সামিউন সিনহা ও ইমরান হোসেন শুভ। এছাড়া ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ওবায়েদউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, যুগান্তর স্বজন সমাবেশের জাহাঙ্গীর ডালিমও বক্তব্য রাখেন।

এদিকে মানববন্ধন চলাকালে ফতুল্লা লঞ্চঘাটের সামনে গাড়ি না রাখতে অনুরোধ করে শিক্ষার্থীরা। এতে করে যানজট দেখা দিতে পারে বলে ঘাট কতৃর্পক্ষকে বোঝাতে থাকে।

ওই সময় তর্ক বেঁধে গেলে ঘাটের পাহাড়া দেওয়া মুন্না বাহিনীর নেতৃত্বে নিহাদ, হৃদয়, তানভীরসহ তাদের অনুগামী শতাধিক শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালিয়ে মিলন ও মাসুম নামে দুজন ছাত্রকে তুলে নিয়ে যায়।

এরপর হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মিলনের দুই হাত ভেঙেছে ও মাসুমের দুই পা ভেঙে দিয়েছে। ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৩০০ গজ দূরে থানায় দৌড়ে খবর দেয় শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া জেলা ছাত্রলীগ নেতা শুভ দৈনিক ডাক বাংলাকে জানান, ‘তর্কের এক পর্যায়ে আমি গিয়ে হাজির হই।

ওই সময় হামলাকারীরা দুই শিক্ষার্থীকে চড় মারে। আমি সমাধান করতে গেলে আমার ওপরও হামলা চালিয়ে দুজনকে তুলে নিয়ে যায়।’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, থানায় গিয়ে সবাই দ্রুত তুলে নিয়ে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে অনুরোধ জানাই।

কিন্তু পুলিশ অনেক দেরী করে ঘটনাস্থলে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের ওই সময়ের মধ্যে হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। সময়মত গেলে হয়ত এত মার খেতে হতো না।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন দৈনিক ডাক বাংলাকে জানান, লঞ্চঘাটের সামনে দু’পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

October 2020
FSSMTWT
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031