গজারিয়ায় বন্যার পানি কমলেও বেড়েছে দুর্ভোগ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার ভাঙ্গনকবলিত এলাকায় বানের পানিতে তলিয়ে যাওয়া রাস্তাঘাটগুলোতে এখন ক্ষতচিহ্ন ভেসে উঠেছে। বসতবাড়ি ভেঙ্গে যাওয়া গজারিয়া উপজেলার গোয়ালগাও, ইসমানির চর, নয়ানগর মানুষের জীবন চিত্র এখন অন্যরকম। বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও তাদের সামনে এখন ভেসে উঠছে ভাঙ্গাচুরা আর খন্ড-বিখন্ড চিত্র।
বানের পানি কমতে থাকলে ও তাদের মুখে নেই কোন হাসি আর আনন্দ বুক ভরা কষ্ট নিয়ে শুধু তাকিয়ে থাকে নদীগর্ভে চলে যাওয়া ক্ষত স্থান গুলোর দিকে। কি হবে এখন একে করোনা আবার বন্যা এই সব মিলিয়ে যেন এক বিভীষিকাময় জীবন পার করতে হচ্ছে এই অসহায় মানুষগুলোকে।
গজারিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান খোকন নেকী জানান, গজারিয়া উপজেলার ভাঙ্গনকবলিত এলাকার অসহায় মানুষদের সরকারি ও বেসরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও গত বুধবার গজারিয়া উপজেলার ভাঙ্গনকবলিত এলাকা পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক স্যার ও স্থানীয় এমপি মৃণাল কান্তি দাস পরির্দশন করে বলেছেন, নদী ভাঙ্গন রোধে সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
এই কাজগুলো করলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ অনেকটা কমে আসবে।
