ব্রেকিং নিউজঃ

ভোলার লেডি সন্ত্রাসী সুরাইয়ার ভয়ে

নির্ঘূম রাত কাটাচ্ছে শিক্ষক মোশারেফের পরিবার-আতংকিত এলাকাবাসী

ভোলার দৌলতখানের চরপাতায় লেডি কমান্ড সুরাইয়ার ভয়ে আতংকিত এলাকাবাসী।  এক মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকের কাছে ১ লক্ষ টাকা চাদা দাবী করে হত্যার হুমকী প্রদর্শন করায় এলাকায় তোলপাড়। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ওই শিক্ষকের পরিবার।

এ ব্যাপারে ওই স্কুল শিক্ষককের বড় ছেলে বাদী হয়ে দৌলতখান এটি সাধারন ডাইরী করেন। এতেও যেন ভয় কাটছেনা। জিডি করার পর  আরোও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ওই সন্ত্রাসী নারী। ওই শিক্ষক পরিবারকে একরে পর এক হত্যার হুমকী দিয়ে যাচ্ছে। এতে নির্ঘূম রাত কাটাচ্ছে ওই শিক্ষকের পরিবার।

এক কলেজ ছাত্রীর হাতে লিখিত হত্যার হুমকী পত্রে বলাহয় ওই শিক্ষককে একলক্ষ টাকা চাদা দিতে হবে। টাকা না দিলে ওই মাধ্যমিক শিক্ষককে  যে কোন  সময় হত্যা করা হবে।

ঘটনার বিবরণে জানাযায়, দৌলতখান উপজেলার  চরপাতা ইউনিয়নের নলগোড়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ীর মৃত সেরাজল হক হাওলাদারের ছেলে আমির হোসেনের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম তার প্রতিবেশী কলেজ ছাত্রী রুবিনা বেগমকে দিয়ে উত্তর দিঘলদী আঃ মান্নান মিয়া  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজী শিক্ষক মোশারেফ হোসেনকে গত ২৮ মার্চ একটি কাগজে লিখিতভাবে এক লক্ষ টাকা চাদা দাবী করে ও হত্যার হুমকী প্রর্দশন করে।

এ ব্যাপারে ওই শিক্ষকের বড় ছেলে আসাদুজ্জামান মাসুম বাদী হয়ে দৌলতখান থানায় ৩০ মার্চ  থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেন। যার নম্বর ১৩০৫। ওই সাধারন ডাইরী তদন্তকালে বেড়িয়ে আসে  ওই সন্ত্রাসী নারী সুরাইয়ার লোম হর্ষক কাহিনী। প্রতিবেশীর কলেজ পড়ুয়া দরিদ্র ও অসহায় রুবিনাকে চাপ প্রয়োগ করে এমন হুমকী পত্র লিখাতে বাধ্য করেন।

এ ব্যাপারে রুবিনা থানায় হাজির হয়ে সুরাইয়ার সকল পরিকল্পনা ফাঁস করে দেন এবং এবিষয়ে রুবিনা থানা পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধীও দেন। এতে সুরাইয়া ক্ষিপ্ত হয়ে রুবিনাকেও  হুমকীদেন। পরবর্তীতে রুবিনা তার নিরাপত্তা চেয়ে থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেন।

সাংবাদিকদের কাছে এসকল তথ্য জানান কলেজ পড়ুয়া রুবিনা। এসময় রুবিনা আরো জানান,“স্যার আমি ষড়যন্ত্রের স্বীকার, আমাকে দিয়ে জোড় করে সুরাইয়া মোশারেফ মাষ্টারকে হত্যা করার চিঠি লিখিয়েছে। রুবিনা কান্না জড়িত কন্ঠে আরোও জানান, আমার বাবা ও ভাই নেই।

আমরা মাত্র চার বোন। সকলের বিয়ে হয়েছে আমি মাকে নিয়ে কোন রকম সংসার চালাই; খরচের অভাবে লেখাপড়া বন্ধ। অসহায় পেয়ে সুরাইয়া আমাকে দিয়ে এমন কাজ করিয়েছে। পরবর্তীতে আমি থানা পুলিশের কাছে সুরাইয়ার পরি কল্ফনা বলে দেয়ায় সুরাইয়া ও তার বাই-বোন নাজমা ও  মোজাহিদ আমাকে ও আমার পরিবারে লোক জনকে অনবরত হত্যার হুমকী দিচ্ছে। ”

এ ব্যাপারে থানা  এব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশ্রাফ জানান, রুবিনা থানায় এসে ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। ঘটনার মুল হোতা সুরাইয়া পলাতক থাকায় তাকে আটক করতে পারছি না। তবে মোশারেফ মাষ্টার  ও রুবিনার পরিবারে নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের নজরে আছে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শিক্ষক মোশারেফ হোসেন জানান, সুরাইয়া আমার ছোটভাই আমির হোসেনের স্ত্রী। আমার ভাই আর একটি বিয়ে করায় সুরাইয়া আমাকে দায়ী করে আমাকে হত্যা করতে চেয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে সুরাইয়া এর পূর্বেও আমাকে ও আমার পরিবারের পরিবারে সদস্যদের ক্ষতি এমনকি হত্যা করতে চেয়েছিল কিš‘ বিষয়টি আগে ততটা বুঝতে পারিনি এবার সবকিছু বেরিয়ে এসেছে।

গত ২৮ মার্চ ভোর বেলা আমি আমার ঘর হইতে ফজরের নামাজ পরতে যাওয়ার সময় ঘরের দরজা খুললে একটি অপরিচিত লিখিত পত্রে বলা ছিল আমাকে এক লক্ষ টাকা চাদা দিতে হবে না হয় আমাকে পথি মধ্যে আমাক হত্যা করা হবে। তিনি আরোও জানান সুরাইয়ার সন্ত্রাসী কার্যক্রমে আমি ভীত হয়ে পরেছি। অনেক সন্ত্রাসীর সাথে তার গোপন সর্ম্পক রয়েছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় আছি।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

September 2026
F S S M T W T
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930