কুষ্টিয়া জেলায় প্রবেশের ৭টি পয়েন্টে ব্যারিকেড
করোনা সংক্রামক এড়াতে কুষ্টিয়া জেলায় প্রবেশের ৭টি পয়েন্টে ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। এজন্য সকাল ৮টা থেকে প্রতিটি বেরিকেড’র কাছে পুলিশ ও আনসার নিয়োগ করা হয়েছে।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন এক পরিপত্রে জানান, করোনা প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্রগ্রাম, মাদারীপুর, গাজীপুর ও করোনা সংক্রমিত যে কোন জেলা হতে কোন ব্যক্তি-পরিবহন এ জেলায় প্রবেশ করতে পারবে না মর্মে নিদের্শনা দিয়েছেন ওই পত্রে। এদিকে দৌলতপুর ও কুমারখালী উপজেলার ৩টি প্রবেশপথ লকডাউন করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার ৩টি প্রবেশ পথ ও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দৌলতপুর উপজেলার ৩টি প্রবেশ পথে ব্যারিকেড দিয়ে এ লকডাউন করা হয়। এর ফলে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলা এবং ভেড়ামারা উপজেলার সাথে সড়কপথে দৌলতপুরের যোগাযোগ বন্ধ হয়েছে।
এদিকে দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি ব্রিজের ওপর এবং ধর্মদহ এলাকার কাজীপুর ব্রিজের ওপর ব্যারিকেড দিয়ে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এছাড়া আল্লরদর্গা বাজারে ব্যারিকেড দিয়ে পাশের ভেড়ামারা উপজেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে প্রশাসন।
জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন জানিয়েছেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার গোস্বামীদুর্গাপুরে নারায়নগঞ্জ থেকে ৩০ পরিবার, কুমারখালী উপজেলার দুটি ইউনিয়নে নারায়নগঞ্জ, মাদারীপুর থেকে ১শ ৪০ পরিবার ও দৌলতপুর উপজেলায় ৩০টি পরিবার এসে আত্মগোপন করে আছে। ওই সকল পরিবারগুলোকে চিহ্নিতকরণের পর ওই সকল ইউনিয়ন ও গ্রামকে লক ডাউন ঘোষণা করা হবে।
