বিজ্ঞানীরাও পেলো পরকালের সত্যতা
বিজ্ঞানীরা পরকালের সত্যতা পেলো। মৃত্যুর পর যে জগৎ তাকে আমরা পরকাল বলি। কুরআন ও হাদিসের ভাষ্যও তা-ই। বিজ্ঞানিরা স্বীকার করুক আর না-ই করুক, পরকাল ধ্রুব এক সত্য পরিণাম।
তবে বস্তুজগতের এই গবেষক ও আবিষ্কারকগণ যখন পরকালের কিছু তথ্য উদঘাটন করেন তখন আলোচনায় উঠে আসে বিষয়টি।
আধুনিক বিজ্ঞান দাবী করছে বস্তুজগতের পাশাপাশি সমান্তরালে বিপরীত জগৎ সৃষ্টি হয়ে আছে। আর সেই জগতে এ পৃথিবীতে যতো প্রকার সত্ত্বা আছে, তার প্রতিটিরই বিপরীত সত্ত্বা সৃষ্টি হয়ে বিদ্যমান আছে।
অর্থাৎ আমাদের মানব সমাজের প্রত্যেকেরই একটি করে বিপরীত সত্ত্বা তৈরী হয়ে আছে যাকে বলে ‘আইডেনটিক্যাল টুইন’। আগামিতে যতো মানুষ আসবে পৃথিবীতে, ঠিক ততোজনেরই বিপরীত সত্তা ঐ বিপরীত জগতে তৈরী হবে।
পৃথিবীর মানুষ প্রতিদিন যে কাজকর্ম করে, তার একটা প্রতিক্রিয়া বিপরীত জগতে সৃষ্টি হওয়া বিপরীত সত্তার উপর সরাসরি প্রভাব পড়ে। পদার্থ বিজ্ঞানের রীতি অনুযায়ী এটি একটি চিরসত্য বিধান। কণিকা জগৎ বিষয়টি প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়েছে।
