ভারতে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী: ট্রাম্পের সাথে কথা বলেছেন মোদি
ভারতের লাদাখ সীমান্তে পূর্ব অংশে চীনের সেনাবাহিনী ঢুকে পড়েছে এমন কথা স্বীকার করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এমন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে।
মঙ্গলবার (২ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন কথা জানান তিনি।
তবে চীনা বাহিনীর এই ঢুকে পড়ায় দিল্লি প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও জানান, চীন ওই এলাকাকে নিজের দেশ বলে মনে করলেও সেটি আসলে ভারতেরই ভূখণ্ড।
তিনি জানান, আগামী ৬ জুন এ বিষয়টি নিয়ে ভারত ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তারা বসে আলোচনা করবেন। তবে দিল্লি কিছুতেই তাদের অধিকার থেকে সরে দাঁড়াবে না এমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
রাজনাথ বলেন, ‘বেশকিছু চীনা নাগরিক ওই এলাকায় ঢুকে পড়েছে। ভারতের যা করা উচিত ছিল, তা-ই করেছে।’ সমস্যা সমাধানের জন্য চীনকে পরিস্থিতি গভীরভাবে বিবেচনার পরামর্শ দেন ভারতীয় মন্ত্রী।
প্রায় মাসখানেক ধরে পূর্ব লাদাখের পার্বত্য অঞ্চলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে চীনা ও ভারতীয় বাহিনী। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা হলেও সমাধান মেলেনি।
ইতোমধ্যে দুই দেশই পূর্ব লাদাখে অতিরিক্ত বাহিনী, সামরিক যান ও প্রচুর অস্ত্রসম্ভার পাঠিয়েছে। এর মধ্যেই গত ৫ মে সন্ধ্যায় প্রায় ২৫০ ভারতীয় ও চীনা সেনা সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। পরে গত ৯ মে উত্তর সিকিমেও একই রকম ঘটনা ঘটে।
দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার জেরে ভারতে শুরু হয়েছে ‘বয়কট চায়না’ ক্যাম্পেইন। এর আওতায় নিজেদের মোবাইল থেকে বিভিন্ন চীনা অ্যাপ আনইনস্টল করছে ভারতীয়রা।
ভারতে চীনা পণ্য বর্জনের ডাক অবশ্য নতুন নয়–প্রতিবারই দিওয়ালির আগে নতুন করে এই ডাক ওঠে। আরএসএসের মতো অনেক উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর তাতে সমর্থনও থাকে। কিন্তু দিওয়ালির কেনাকাটা মিটে গেলে সেই ডাক আবার থিতিয়েও যায়।
