ব্রেকিং নিউজঃ

গাজায় এক দিনে ১৫৩ টন বোমা ফেলেছে ইসরায়েল, পার্লামেন্টে জানালেন নেতানিয়াহু

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় এক দিনে ১৫৩ টন বোমা ফেলেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটের শীতকালীন অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে।

রোববার (১৯ অক্টোবর) ইসরায়েলি বিমান বাহিনী গাজার বিভিন্ন স্থানে একযোগে বিমান হামলা চালায়। ওই হামলায় অন্তত ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। এর আগের দিন হামাসের হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার দাবি করে তেলআবিব। পাল্টা জবাবে বিমান হামলা চালানো হয়। তবে হামাস এমন হামলার দায় অস্বীকার করেছে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) নেসেটে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের এক হাতে অস্ত্র, অন্য হাত শান্তির জন্য প্রসারিত। দুর্বলের সঙ্গে নয়, শক্তিশালীর সঙ্গেই শান্তি হয়। আজ ইসরায়েল আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।” তাঁর এমন মন্তব্যে গাজায় যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের মুখপাত্র জানান, প্রধানমন্ত্রী সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়।

একই সঙ্গে তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও তাঁর স্ত্রী কয়েক দিনের সফরে ইসরায়েল আসছেন। এই সফরে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ ও কূটনৈতিক সুযোগ নিয়ে আলোচনা হবে বলে নেতানিয়াহু নেসেটে জানান।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে বড় ধরনের হামলা চালায়, যাতে ১ হাজার ১০০ জনের বেশি নিহত হয় এবং প্রায় আড়াই শ মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নেওয়া হয়। এরপর থেকেই ইসরায়েল গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে আসছে। দুই বছরের মধ্যে এ পর্যন্ত গাজায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজারে পৌঁছেছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ২০ দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। শর্ত অনুযায়ী, গাজায় অভিযান বন্ধ রাখবে ইসরায়েল এবং হামাস জিম্মিদের (জীবিত ও মৃত) ফেরত দেবে। তবে সর্বশেষ বিমান হামলার ঘটনায় সেই যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

August 2026
F S S M T W T
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031