রাজাপুরে যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে মারধর অবশেষে নিখোঁজ
ভোলা সদর উপজেলা রাজাপুর ইউনিয়নে ৬ নং ওয়ার্ডে যৌতুকের জন্য গৃহবধুকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী হোসেন, দেবর হারুন ও শাশুড়ীর বিরুদ্ধে।
দীর্ঘদিন প্রেম করে গত ৭ জানুয়ারী শরিফা কে বিয়ে করে ২ মাস ঢাকা থাকার পর হোসেন শরিফাকে নিয়ে তার নিজ বাড়িতে আসেন।
এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানাযায় শরীফাকে
গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসার পর থেকে তার শাশুড়ি,ননদ এবং দেবর মিলে তার উপরে নির্যাতন শুরু করে ধীরে ধীরে তার স্বামী যৌতুকের টাকার জন্য তার উপরে চাপ প্রয়োগ করে একপর্যায়ে গত ১১ রমজান শরীফাকে ব্যাপক মারধর করলে, শরিফা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে বিচার দেন।
অবশেষে শরিফা তাদের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আইনের আশ্রয় নেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শরীফাকে উদ্ধার করে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হাতে তুলে দিয়ে যায় এবং এরপরে যদি শরীফের উপর কোন প্রকার নির্যাতন করা হয় তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে গেছেন পুলিশ।
এক পর্যায়ে তাদের নির্যাতনের মাত্রা বারার কারনে গত ২০ মে মধ্যে রাত থেকে গৃহবধুকে খুঁজে পাওয়া যায়নি, গৃহবধূ শরীফের বাবার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকদের জানায় তার বাড়ি কুড়িগ্রাম, মেয়ের শ্বশুর বাড়ি দূরে থাকায় ঠিকমতো মেয়ের খোঁজ খবর নিতে পারছেন না, তার মেয়ের কাছে একাধিক বার যৌতুকের টাকা এবং ব্যবসা করার জন্য চার লক্ষ টাকা দাবি করেন আর সে টাকা দিতে না পারায় তার মেয়ের উপরে অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছেন, গত ২০ তারিখ থেকে তার মেয়ে নিখোঁজ রয়েছে তাই কাছে বিচার দাবি করছে।
