ব্রেকিং নিউজঃ

হামাসের রকেট রুখতে গিয়ে বিপুল ক্ষতির মুখে ইসরাইল

গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলে নিক্ষেপ করা রকেট রুখতে গিয়ে কয়েক লাখ কোটি ডলারের ক্ষতির মুখে পড়েছে ইসরাইল।

গাজা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রকেটগুলো খুব একটা আধুনিক নয়।

কিন্তু সেগুলো রুখতে গিয়ে বহুল আলোচিত আয়রন ডোম বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করতে গিয়েই মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে ইসরাইল।

আবার এত বিপুল ব্যয় করেও তারা হামাসের সব রকেট ধ্বংস করতে পারছে না।

এবারের যুদ্ধে হামাসের অনেক রকেট ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আঘাত হেনেছে।

ইসরাইলের আয়রন ডোমকে ফাঁকি দিয়ে যেসব স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে হামাসের রকেট আঘাত হেনেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে তেল আবিব, একটি পাইপলাইনের কাছে ও বেন গুরিয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা।

ইসরাইলি বিমান হামলায় গাজা উপত্যকায় নিহত হয়েছৈ ২১৩ জন।

এদের মধ্যে ৬১ জন শিশু, ৩৫ জন নারী। আর ইসরাইলে নিহত হয়েছে ১০ জন।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলী উজি রুবিন ডেইলি সাবাহকে বলেন, এবার হামাস যেসব রকেট নিক্ষেপ করেছে, সেগুলো ২০১৪ সালের চেয়ে অনেক উন্নত।

আর এবারই হামাস ইসরাইলের অনেক গভীরে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।রুবিন বলেন, প্রযুক্তিগত দিক থেকে ২০১৪ সালের চেয়ে ২০২১ সালের হামাসের রকেটে খুব বেশি উন্নতি হয়নি। কিন্তু তীব্রতা ও সংখ্যার দিক থেকে অনেক উন্নতি করেছে।

তিনি বলেন, এছাড়া প্রমাণ হয়েছে যে আয়রন ডোমের মতো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি লিকপ্রুফ নয়।

আয়রন ডোম ৮০ ভাগ থেকে ৯০ ভাগ রকেট ধ্বংস করতে পারে। কিন্তু ১০ ভাগ তো আঘাত হানে।

আয়রন ডোমকে ফাঁকি দিতে এবার হামাস একসাথে বিপুলসংখ্যক রকেট নিক্ষেপ করেছে। ফলে আয়রন ডোমের অকার্যকারিতাও প্রমাণিত হয়েছে।

আবার খরচের দিক থেকে হামাসের রকেট আর আয়রন ডোমের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বিপুল।

হামাসের একটি রকেট বানাতে খরচ হয় ৩০০ ডলার থেকে ৮০০ ডলার।

আর এগুলো ধ্বংস করতে আয়রন ডোমের প্রতিটি ইন্টারসেপ্টরের খরচ হয় ৫০ হাজার ডলার থেকে এক লাখ ডলার।

ফলে রকেট ধ্বংস করতে গিয়ে ইসরাইলের বিপুল অর্থ নষ্ট হচ্ছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, গাজা উপত্যকা থেকে এ পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে।

চ্যানেল উগান্ডা/প্রতিবেদন ডন

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

September 2026
F S S M T W T
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930