১৪ তারিখ ইস্যুতে আবারো কঠোর ভাবে মাঠে নামছে হেফাজত
আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠিত হবে এবং এর মধ্যে রমজান।
এরপরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে করোনা পরিস্থিতির কারণে সীমিত আকারে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করবে।
মঙ্গল শোভাযাত্রা বাংলাদেশের পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য এবং এটি ইউনেস্কো বিশ্বের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
গত কয়েক বছর ধরে মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং পহেলা বৈশাখের বিরো’ধীতা করে আসছিলো হেফাজত।
এবার একই ধারায় এই মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরোধীতা করবে হেফাজত।
হেফাজতের একাধিক সূত্র বলছে যে, তারা মৌলবাদী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে যে উদ্যোগ নিয়েছে সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরোধীতা করবে।
যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে মঙ্গল শোভাযাত্রা ঐহিত্যের অংশ এবং এর সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই।
কিন্তু তার পরেও হেফাজত এটি নিয়ে আ’রেকটি তা’ণ্ডব করার পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ফেফাজত পাঠ্যপুস্তক নিয়ে আ’ন্দোলন করেছিলো, গণজাগরণ মঞ্চের বিরো’ধীতা করেছিলো।
তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের বি’রোধীতা করেছিলো এবং সর্বশেষ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে।
তারা যে শুধু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরোধীতা করেছে তাই নয় বাংলাদেশে যা কিছু মুক্তবুদ্ধির চর্চা সবকিছুর বিরোধীতাই এখন হেফাজতের প্রধান রাজনৈতিক কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ ছাড়া হেফাজত বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে রাস্তায় নামছে এবং সহিংসতা করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছে।
