মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং বন্ধের নির্দেশ
দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় আগামী দুই সপ্তাহের জন্য মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বুধবার (৩১ মার্চ) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত (আপাতত দুই সপ্তাহ) রাইড শেয়ারিং সার্ভিসে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে, উবার বা পাঠাও এ চালিত গাড়িতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী পরিবহন করতে পারবে।
এছাড়াও, গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে সাত নির্দেশনা দিয়েছে বিআরটিএ।
নির্দেশনাগুলো হলো:
১. ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশের অধিক যাত্রী পরিবহন করা যাবে না।
২. বিদ্যমান ভাড়ার অতিরিক্ত ৬০ শতাংশের বেশি ভাড়া নেওয়া যাবে না।
৩. সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা গুলোতে আন্তঃজেলা যান চলাচল সীমিত অথবা প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হবে।
৪. গণপরিবহনে যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার, কন্ডাক্টর, হেলপার এবং টিকিট বিক্রয় কেন্দ্রের
দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মাস্ক পরিধান/ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া তাদের হাত
ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত সাবান-পানি, হ্যান্ড সেনিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৫. যাত্রার শুরু ও শেষে যানবাহন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নসহ জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ৬. বাসে ওঠা ও নামার ক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
৭. গণপরিবহনের জন্য প্রযোজ্য অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
এ নির্দেশনা ৩১ মার্চ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ২ সপ্তাহের জন্য কার্যকর থাকবে।
উল্লেখ্য, মহামারি করোনা ভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫২ জন।যা গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে গত বছরের ২৬ আগস্ট ৫৪ জন মারা যান। এনিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাড়ালো ৯ হাজার ৪৬ জনে।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫ হাজার ৩৫৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।যা এযাবৎকাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ১১ হাজার ২৯৫ জনে।
