• আজঃ বৃহস্পতিবার, ১৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং
  • English
ব্রেকিং নিউজঃ

বাঁশের সাঁকো ১৪টি গ্রামের মানুষের ভরসা

নীলফামারী সদর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ১৪ গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে গ্রামগুলোর হাজারো মানুষকে।

সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উত্তর কাচারী পাড়া-কারবালার ডাঙ্গা এলাকার উপর দিয়ে বহমান যমুনেশ্বরী নদীর উপর অবস্থিত এই বাঁশের সাঁকো। এই সাঁকো দিয়ে  পঞ্চপুকুর, চাপড়া সরমজানী ও চড়াইখোলা ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামের মানুষজন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা এখানে একটি ব্রীজের দাবী করে আসলেও তা অদ্যাবদি কার্যকর হয়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উত্তর কাচারী পাড়া হয়ে বাঁশের সাঁকো অতিক্রম করে যেতে হয় কারবালার ময়দান। সেখানে নামাজ আদায় করেন ১৪টি গ্রামের মানুষ। বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে বাইসাইকেল, অটো রিকসা কিংবা মটরসাইকেল যাতায়াত করলেও ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে এসব যানবাহনকে। যে কোন মুহুর্ত্বে ধ্বসে যেতে পারে সাঁকোটি। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম আসলে প্রতিদিনই ঘটে কোন না কোন দুর্ঘটনা। যার কারণে বর্ষার আগেই স্থানীয়রা নগদ টাকা, বাঁশ এবং শ্রম দিয়ে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে থাকেন। এতে সহযোগীতা করে ইউনিয়ন পরিষদ।

এলাকার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম (৫৫) জানান, বাব দাদার আমল থেকে আমরা বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে নদী অতিক্রম করে আসছি। বর্ষা মৌসুমে যেন কষ্টের শেষ থাকে না। অনেককে নদীতে পড়ে যেতে হয়েছে। অনেকে আশ্বাস দিয়েছেন। ইঞ্জিনিয়ার এসে মাপজোক করে নিয়ে গেছে কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না।

পথচারী তানজিনা বেগম বলেন, ব্রীজ না থাকায় কোথায় যেতে হলে সহজে যানবাহন পাওয়া যায় না। বর্ষাকালে দশ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হয় অনেককে। এর ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

পঞ্চপুকুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হবিবর রহমান সরকার বলেন, এখানে ব্রীজ নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত ব্রীজটি হয়ে গেলে দুর্ভোগ কমে যাবে স্থানীয়দের।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নীলফামারীর সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম জানান, ওই এলাকায় ব্রীজ নির্মাণের জন্যএকটি প্রকল্প পাঠানো হয়েছে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে। অনুমোদন হয়ে আসলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর