.
ডা. জাফরুল্লাহ ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের শারীরিক খোঁজখবর নেন। আদ-দ্বীন হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন তার সবশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।
.
বর্তমানে নানা রোগে আক্রান্ত ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে গতকাল বুধবার লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর তাকে মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গত শনিবার তাকে বাসায় নেয়া হলেও কয়েক ঘণ্টা পরই তাকে আবার হাসপাতালে আনা হয়। এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন।
.
৮৫ বছর বয়সী রফিক-উল হক বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। সোমবার তার করোনা পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও অবস্থার খুব উন্নতি হচ্ছিল না। বুধবার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছে।
.
২০১১ সালে স্ত্রী ডা. ফরিদা হকের মৃত্যুর পর থেকে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। তার ব্যক্তিগত ড্রাইভারই তার দেখাশোনা করেন। কয়েক বছর আগে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে রফিক-উল হকের বাঁ পায়ে অস্ত্রোপচার হয়।
এরপর থেকে তার স্বাভাবিক হাঁটাচলা ব্যাহত হয়। মাঝেমধ্যে পায়ে ব্যথা হয়। যে কারণে হুইলচেয়ারে যাওয়া-আসা করতে হয়। পুরানা পল্টনের ছায়াশীতল, নিরিবিলি বাড়িতেই থাকতেন বেশিরভাগ সময়।
নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া আদালতেও এখন আর তেমন তার যাওয়া হয় না।
.
রফিক-উল হকের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবনের শুরু ১৯৬০ সালে কলকাতা উচ্চ আদালতে। সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল রফিক-উল হক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হয়ে সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াই করে দেশব্যাপী প্রশংসিত হন।