করোনাকালীন ত্রাণ বন্ধে বিপর্যয়ে শ্রমজীবী মানুষেরা
বন্ধ করা হলো করোনাকালীন মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম। এতে চরম বিপর্যয়ে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষেরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনীতির স্বাভাবিক গতিধারা ফিরে না আসা পর্যন্ত হতদরিদ্র্যদের সাহায্য অব্যাহত রাখা উচিত। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীর দাবি, মহামারির প্রকোপ কমায়, ত্রাণের চাহিদাও কমেছে।
কাজের আশায় প্রতিদিনের মতো কাকডাকা ভোরে বাড়ি থেকে ফকিরাপুল মোড়ে এসে বসেন শুক্কুর আলী। কিন্তু সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও ভাগ্যে জোটেনি পরিবারের পাঁচ সদস্যের আহারের টাকা। এমন গল্প এখনো হাজারো খেটে খাওয়া মানুষের। করোনার পাঁচ মাসের তীব্র ধাক্কা শেষেও স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরতে পারেনি দিনমজুরা।
দিনমজুরদের একজন বলেন, ‘কাজে যাওয়ার জন্যতো বসে আছি। কিন্তু না নিলেতো যেতে পারছি না। সরকার সহযোগিতা না করলে চলতে পারবো না।’
কমলাপুর স্টেশন চত্বরে জীবিকা খুঁজে নেয়া হকার, ফেরিওয়ালারা এখন আর ঢুকতে পারে না। অসহায় স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষ। বেকার গৃহকর্মী, লকডাউনে বন্ধ হয়ে যাওয়া গার্মেন্টসসহ নানা পেশাজীবীর মানুষ । এ অবস্থায় সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন পিছু ছাড়ছে না তাদের।
স্বাভাবিক কর্মজীবন শুরু হওয়ায় এখন এসব শ্রেণীর জন্য ত্রাণ বরাদ্দের আর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানান প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।
করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের গত মার্চ থেকে ত্রাণ বিতরণ শুরু করে সরকার। এতে ৬৩ লাখ ২৮ হাজার পরিবার সহায়তা পেয়েছেন।
