নালিতাবাড়ীর কাউয়াকুড়ি গ্রামের বটতলা বাজারের প্রবেশ পথ পাকা করার দাবী
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাউয়াকুড়ি গ্রামের উন্নয়ন বঞ্চিত ঐতিহ্যবাহী পুরোনো বটতলা বাজারের প্রবেশ পথ কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।সংস্কার ও পাকাকরণের দাবী এলাকাবাসীর।
রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের মাদরাসা বাজার, গোরস্থান বাজার ও কাউয়াকুড়ি নতুন বাজারের উন্নয়ন হলেও, কোন প্রকার উন্নয়নের ছোয়া পড়েনি কাউয়াকুড়ি গ্রামের বটতলা বাজারের” এমন্ মন্তব্য এলাকাবাসীর । আশির দশকে সাবেক এমএলএ আব্দুল হাকিমের ছোট ভাই নুর হোসেন চেয়ারম্যান মাদরাসার জমিতে কাউয়াকুড়ি গ্রামে বাজারে ভিত্তি স্থাপন করেন ।
পরবর্তী সময়ে এমএলএ আব্দুল হাকিমের পুত্র গোলাম মোস্তফা চেয়ারম্যান হলে বটতলা বাজারে একটি কাঁচা বাজারের জন্য সরকারী সেডঘর নির্মাণ করা হয় । এক সময়ের ঝাঁকজমকপূর্ণ বাজারটি অবহেলায় ও উন্নয়ন কর্মকান্ড না থাকায় নিশ্চিহ্ন হতে চলছে ।
তাছাড়া বাজরের প্রবেশ পথ কর্দমাক্ত হওয়ায় মানুষ সাধারণত পায়ে হেটেও প্রবেশ করতে পারেনা । বাজারের মধ্যে একটি কওমি মাদ্রাসা এবং মুদি-মনোহারী ও ঔষুধের ২০/২৫টি দোকান রয়েছে। সব মিলিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা, মাদরাসা শিক্ষক-ছাত্র বন্দিদশা অবস্থায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাকিম (এক সময়ের গণমাধ্যম কর্মী) বলেন- স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের নানা রকম প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও কাউয়াকুড়ি গ্রাম ও বটতলা বাজারের জন্য কোন উন্নয়ন করা হয়নি ।
স্থানীয় বাসিন্দা জালাল উদ্দিন জানান- কাউয়াকুড়ী গ্রামের উত্তর-পশ্চিম-পূর্ব-দক্ষিণে অনেক রাস্তা পাকাঁ করা হলেও কাউয়াকুড়ি গ্রামের এক ফুট জায়গা পাকাঁ করা হয় নাই । বটতলা বাজারের ঔষুধ ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফ বলেন- গাছগড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে কাউয়াকুড়ি নতুন বাজার পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা । কাউয়াকুড়ি এলাকার মধ্য দিয়ে রাস্তায় কোন প্রকার উন্নয়ন হয়নি ।
এ রাস্তা থেকে মাত্র ৫’শত গজ বটতলা বাজারের প্রবেশ পথ এখানেও নজর পড়েনি চেয়ারম্যান বা ইউপি সদস্যদের।আব্দুল ওহাব (৩৫) বলেন, কাউয়াকুড়ি গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ বা সরকারের পক্ষ থেকে কোন উন্নয়ন করা হয় না । স্থানীয় এলাকা বাসী আরও জানায়, রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের এই গ্রামের প্রত্যেকটি রাস্তা কাঁচা এবং চলাচলে অনুপযোগী। তাই এলাকাবাসীর দাবী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত রাস্তাটির দিকে নজর দেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে – রাস্তাটি ইউনিয়ন পরিষদের, এলজিইডির নয় ।
