ব্রেকিং নিউজঃ

থানায় মামলা দায়ের

দাখিল পরীক্ষার্থী ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

ভোলার দৌলতখানে দাখিল পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ভিক্টিমের মা বাদী হয়ে দৌলতখান থানায় মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং-১১ তারিখ ২৩-০২-২০।

গত ১৩ ফেব্রয়ারী বৃহস্পতিবার রাত দশটার দিকে ভোলা সদর থানার পুলিশ ভিক্টিম (১৬) কে অপহরণের ৮ ঘন্টা পর ভোলার চরনোয়াবাদ এলাকা থেকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধিন ভিক্টিম ১৮ ফেব্রয়ারী ২০২০ মিডিয়া কর্মীদের ক্যামারার সামনে জানায়, সে দৌলতখান উপজেলার মধ্যজয়নগর গ্রমের ৪নং ওয়ার্ডের মৃত শহিদুল ইসলামের মেয়ে।

বর্তমানে ভিক্টিম মধ্য জয়নগার আজিম রাড়ী হাওলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকরে। তার পরীক্ষা কেন্দ্র দৌলতখান আবি-আবদুল্লাহ কলেজে। সে ভোলার পিটিআই এলাকায় তার মায়ের ভাড়া বাসাথেকে গত ১৩ ফেব্রয়ারী পরীক্ষা দিতে যায় দৌলতখানে।

সেদিন সে পরীক্ষা দিয়ে তার সহপার্টিদের সাথে অটোযোগে বাংলাবাজার এসে নামে। বাংলাবাজার বাসষ্ট্যান্ড পৌছলে অজ্ঞাত এক অটোচালক এসে তাকে ভোলা যাবে বলে তার অটোতে উঠায়। তখন ওই অটোতে সামনে ২জন ও পেছনে আরো ২জন অজ্ঞাত যাত্রী বসা ছিল। অটোটি জয়নগর স্কুল সামনে দিয়ে বালিয়া রাস্তার দিকে মোড় দিলে ভিক্টিম আপত্তি জানায়।

এসময় অজ্ঞাতরা ভিক্টিমের ২পাশে ও সামনে বসে তাকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা হত্যার হুমকী দিয়ে জিম্মি করে বসিয়ে রাখে। সন্ত্রাসীদের এমন তান্ডবে ভিক্টিম ভিত হয়ে তার স্বাবাভিক জ্ঞান হাড়িয়ে অচেতন হয়ে পরে। অটোটি তাকে নিয়ে কোন দিকে যাচ্ছে তাও সে সে বলতে পারে না। বিকেল ৩টার দিকে অজ্ঞতরা তাকে অটো থেকে নামিয়ে নির্জন এলাকায় একটি পরীত্যাক্ত ঘরে নিয়ে যায়।

সেখানে গিয়ে সে ওই ঘরে দৌলতখান উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান  ইয়াছিন লিটনসহ আরো ৫/৬জনকে দেখতে পায়। এসময় সন্ত্রাসীরা ভিক্টিমকে জোড় পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এতে ভিক্টিম দৌড় ঝাপ শুরু করলে সন্ত্রাসীরা তার উপর নির্মম ভাবে শারীরীক নির্যাতন চালায়।

এতে ভিক্টিম অচেতন হয়ে পরলে সন্ত্রাসীরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। সর্বশেষ সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার চেষ্টা করলে সেখান থেকে সে পালিয়ে উত্তর পশ্চিম চরনোয়বাদ জৈনিক হারুন কমান্ডারের বাড়ীতে গিয়ে পৌছলে তার স্ত্রী সুরমা বেগম তাকে উদ্ধার করে পুলিশ ও ভিক্টিমের পরিবারকে খবর দেয়। সে থেকে ১২ দিন যাবৎ ভিক্টিম হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে।

এ খবরটি শুনে ঢাকা থেকে ভোলায় ছুটে আসে জাতীয় গণতান্ত্রিক ঐক্যের সভাপতি লামিনাল ফিহারসহ ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। তারা এসে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নিলে ঘটনার ১২ দিন পর পুলিশ মামলাটি থানায় এফআইআর করেন।

এ ব্যাপারে দৌলতখান থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) বজলার রহমান জানায়, ভিক্টিমের মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের চেষ্টায় অভিযোগ তুলে থানায় মামলা দায়ের করেছে। তবে ভিক্টিম ধর্ষণ হয়েছে কিনা তা মেডিকেল পরীক্ষার পর দেখা যাবে।

উল্লেখ্য :ভিক্টিম  নিজে বাদী হয়ে, ভোলার নারী ও শিশু নিযাতন দমন ট্রাইব্যুনালে  ৯ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। 

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

August 2026
F S S M T W T
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031