করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে চসিক ভোট নয়
করোনা মহামারি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন করা হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলগমীর।
তিনি বলেছেন, সংবিধান রক্ষার্থে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই বাধ্য হয়ে আগামী ১৪ জুলাই যশোর-৬ ও বগুড়া-১ আসনের ভোট গ্রহণ করতে হচ্ছে ইসি-কে।
গত ২৯ মার্চ চসিক নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা প্রকোপের কারণে ভোটের সাতদিন আগে তা স্থগিত করে কমিশন।
ইসি সচিব বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জন্য ৫ আগষ্ট পর্যন্ত সময় আছে। এরপরও নব্বই দিন সময় নেওয়া যাবে। তাই করোনা মহামারি কাটার আগে এ নির্বাচন করার কোনো পরিকল্পনা নেই।
মো. আলমগীর আরো বলেন, শুধু চট্টগ্রাম সিটি নয়, স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচনগুলোও করোনা মহামারি কেটে গেলে ভোট করা হবে।
২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করেছিল ইসি। এ সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বিধান রয়েছে। আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটির ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে ২১ মার্চ ভোট স্থগিত করে ইসি।
চসিক ভোট না করলেও যশোর-৬ ও বগুড়া-১ আসনে ভোট করার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, এই দুটি আসনে ভোট করার মেয়াদ শেষ হবে যথাক্রমে ১৮ জুলাই ও ১৫ জুলাই। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এ নির্বাচন করতে হচ্ছে।
ইসি সচিব বলেন, করোনা মধ্যে ভোটগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও আমরা ভাবছি। এ ক্ষেত্রে কোনভাবেই যাতে সংক্রমণ ভোটের কারণে না বাড়ে সে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সংসদে আরো কয়েকটি উপ-নির্বাচন আছে। যেগুলোর মেয়াদ শিগরগিরই শেষ হবে। তবে আমরা যশোর-৬ ও বগুড়া-১ আসনের ভোট পর্যবেক্ষণ করব। যদি দেখা যায়, এই দুই উপ-নির্বাচনে সংক্রমণ বাড়ে তাহলে অন্য উপ-নির্বাচনগুলি আর করব না। সে ক্ষেত্রে আ
ইনি ব্যাখ্যা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
