ইরানকে নিয়ে ইসরাইলের নতুন ‘সত্য উন্মোচন’!
ইরানকে নিয়ে ইসরাইলের নতুন সরকার এবার নতুন ধরনের অভিযোগ এনেছে।
তাদের অভিযোগ, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিদেশি যোদ্ধাদের ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
রোববার এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্তজ দাবি করেন, ইস্পাহান শহরের উত্তরাঞ্চলের কাশান বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে ইয়েমেন, ইরাক, সিরিয়া এবং লেবাননের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে তেহরানের তৈরি চালকবিহীন আকাশযান চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনাকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সত্য উন্মোচনের ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
খবরে বলা হয়, দেশটির ইস্পাহান শহরের কাছে একটি বিমানঘাঁটিতে এসব যোদ্ধাদের ড্রোন চালানো শেখানো হচ্ছে বলে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অভিযোগ তুলেছেন।
এক মাস আগে ইসরাইল-নিয়ন্ত্রিত একটি ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসাবে তেহরানকে দায়ী করা হয়।
এবার তেহরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশের যোদ্ধাদের ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ আনল চির প্রতিদ্ব›দ্বী ইসরাইল।
ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তে গাজা উপত্যকায় ইরান এ ধরনের চালকবিহীন যান উৎপাদনের অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
তেল আবিবের কাছে রেইচম্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে গান্তজ তেহরানের বিরুদ্ধে এসব গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, কাশান বিমানঘাঁটির রানওয়েতে চালকবিহীন আকাশযান চলাচলের বিষয়টি স্যাটেলাইটের ছবিতে উঠে এসেছে।
তবে ইসরাইলের এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ইরান।
২৯ জুলাই আরব সাগরে ইসরাইলি তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করে ইসরাইল।
ওই হামলায় তেল ট্যাঙ্কারের দুই ক্রু নিহত হন। এদের মধ্যে একজন ছিলেন ব্রিটিশ নাগরিক এবং অন্যজন রোমানিয়ার নাগরিক।
লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জোডিয়াক ম্যারিটাইমের অধীনে পরিচালিত হচ্ছিল এমভি মার্সার স্ট্রিট নামের ওই জাহাজটি।
ওই কোম্পানির মালিক ইসরাইলি ধনকুবের ইয়াল ওফের। তবে ওই তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনায় নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
