কাবুলে ভয়াবহ হামলা, ৩ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে মার্কিন গোয়েন্দারা
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে হামলায় শতাধিক মানুষ নিহত হন। তালেবানের ক্ষমতা নেওয়ার পর এটি প্রথম কোনো জঙ্গি হামলা। ইতিমধ্যে হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস।
আফগানিস্তানের বিমানবন্দরের আবে গেটে ঢোকার জন্য তখন হুড়োহুড়ি চলছিল। তালেবানের হাত থেকে বাঁচতে আফগানিস্তান ছাড়তে মরিয়া লোকজনের ভিড় ছিল সেখানে। মার্কিন সেনাবাহিনী ও অন্য নিরাপত্তাকর্মীরা সেই ভিড় সামলানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
বৃহস্পতিবারের এমন দৃশ্য অবশ্য নতুন ছিল না।
বিমানবন্দরের তিনটি গেটে দুই সপ্তাহ ধরে এক লাখের বেশি আফগান ভিড় করেছিল। তারা সবাই দেশ ছেড়ে পালাতে বিমানবন্দরে ঢোকার জন্য হুড়োহুড়ি করছিল। সেই ভিড় সামলাতে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন পাঁচ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা। মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুসারে, বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীরা পরিস্থিতি সামলাতে দুটি গেট বন্ধ করে দেয়। তবে আবে গেটটি খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়- কাবুলের ভয়াবহ হামলার ঘটনা নিয়ে তিনটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পেন্টাগনের কর্মকর্তারা।
১. নিরাপত্তাকর্মীরা এত কাছাকাছি ছিল কেন?
২. বিমানবন্দরের বাইরে থাকা তালেবানের তল্লাশিচৌকিতে বোমা হামলাকারী ধরা পড়লেন না কেন।
৩. তালেবানের তল্লাশিচৌকির কেউ হামলাকারীকে কৌশলে ছেড়ে দিয়েছিলেন কি না?
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ওই হামলার এক দিন আগেই সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিমানবন্দরের তিনটি গেটে হামলার আশঙ্কার কথা জানায় তারা।
আবে গেটও সম্ভাব্য হামলার ওই তালিকায় ছিল। তারপরও ওই হামলা কীভাবে সংঘটিত হয় তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে বিশ্বজুড়ে।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস
