স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অবিশ্বাস্য দুর্নীতিতে কঠোর শাস্তি চায় টিআইবি
করোনাকালে সরকারি হাসপাতালে কারিগরি জনবল নিয়োগে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানায় সংস্থাটি।
একইসঙ্গে পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়াটির স্বচ্ছতা নিয়েই সন্দিহান তারা।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের সূত্র ধরে সোমবার এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ কথা বলেন।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন করোনায় সাধারণ মানুষের জীবন এমনিতেই ওষ্ঠাগত।
এর সঙ্গে স্বাস্থ্য সেবার বেহাল দশা। সেবার গুণগতমান নিয়ে মানুষের আস্থার ঘাটতি এ সংকটকে আরও ঘনীভুত করেছে।
এ অবস্থায় হাসপাতালগুলোতে কারিগরি জনবল নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা স্বাস্থ্যখাতের প্রতি মানুষের বিশ্বাসে আরেকটি বড় ধাক্কা।
নিয়োগ কমিটির এক সদস্যকে সরাসরি কোটি টাকা ঘুষ দেয়া এবং মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের প্রস্তাব দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অনিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ বিচারহীনতা উপভোগকারী কর্মকর্তাদের বেপরোয়া দুর্নীতির আরেকটি উদহারণ মাত্র।
এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ উপলব্ধি এবং কঠোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য স্বাস্থ্য সচিবকে দুইজন সৎ, নির্ভীক ও সাহসী কর্মকর্তা যে অনুরোধ করেছেন তার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে টিআইবি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অভিযুক্তদের নিয়োগ কমিটি থেকে সরিয়ে দিলেই, তাদের কৃতকর্মের প্রায়শ্চিত্ত হয় না।
ইতোপূর্বেও মাস্ক কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সেবা সরঞ্জাম ক্রয়ের ঘটনায় কাউকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির সম্মুখীন করা হয়েছে বলে শোনা যায়নি।
এতে এক ধরনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
