টিকা নিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও তিন বিচারপতি
দেশব্যাপী একযোগে কার্যক্রম শুরুর দিনে করোনার টিকা নিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুর ইসলাম। এছাড়া, এদিন টিকা নিয়েছেন হাইকোর্টের তিন বিচারপতিও।
রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রথম টিকা দেয়ার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।
এদিকে, গণটিকাদানের প্রথম দিন রোববার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) টিকা নিয়েছেন হাইকোর্টের তিন বিচারপতি। তারা হলেন- বিচারপতি জিনাত হক, বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস।
এদিন ঢাকায় প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবদের অনেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকা নেবেন। এর আগে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) গণহারে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
এসময় তিনি বলেন, দেশের সব জেলার সঙ্গে আমরা যুক্ত হয়েছি। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ আছেন। তাদের সঙ্গে আমরা ভ্যাকসিন নেব। এটা নিয়ে যেন কোনো রকমের রিউমার না হয়।
এই ভ্যাকসিন খুবই নিরাপদ, যতগুলা ভ্যাকসিন আছে তাদের মধ্যে এটা সবচেয়ে নিরাপদ। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমরা হাজার হাজার মানুষকে ভ্যাকসিন দেব, লাখও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এর কিছুক্ষণ পরই স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে টিকা নেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভ্যাকসিন প্রয়োগের জন্য রাজধানীর ৫০টি হাসপাতাল ও রাজধানীর বাইরে ৯৫৫টি হাসপাতালকে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সারাদেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগের জন্য কাজ করবে দুই হাজার চারশ টিম। তবে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে সাত হাজার ৩৪৪টি টিম। ভ্যাকসিন প্রয়োগ কর্মসূচি চলবে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের একই হাসপাতালে টিকা নেয়ার কথা রয়েছে।
