বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেবে আরব আমিরাত
প্রথমবারের মতো বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আরব আমিরাত। উপসাগরীয় অঞ্চলের মানোন্নয়নে যারা কাজ করবে তাদের দেওয়া হবে নাগরিকত্ব।
দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দুবাইর শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম বলেছেন, যোগ্যদের মধ্যে বিনিয়োগকারী, মেধাবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও শিল্পীরা অন্তর্ভুক্ত হবেন।
নিু আয়ের শ্রমিকদের এই কঠোর মানদণ্ড পূরণের সম্ভাবনা নেই। নাগরিকত্বপ্রাপ্তরা দ্বৈত জাতীয়তা রাখতে পারবে। বিবিসি।
আমিরাতের লক্ষ্য সেসব মানুষকে আকর্ষণ করা যারা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়ম রাখা হচ্ছে না। দেশটির রাজপরিবারই মনোনীত করবে কাদের নাগরিকত্ব দেবে। তারপর মন্ত্রিসভা মনোনীতদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত।
করোনাভাইরাস মহামারি এবং তেলের দাম পড়ে যাওয়ার সময়ে বিদেশিদের আকর্ষণ করার ঘোষণা করল মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশটি।
উপসাগরীয় দেশগুলো সাধারণত অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেয় না। নতুন ব্যবস্থায় বিশেষজ্ঞ এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সুযোগ দেওয়ার পথ উন্মোচন করছে আরব আমিরাত।
আর্থিক ও পর্যটনকেন্দ্র হিসাবে উপসাগরীয় দেশগুলোর উত্থান প্রবাসীদের ওপর নির্ভর করে। আরব আমিরাতে প্রবাসীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাদের ৯০ শতাংশের বেশি কর্মক্ষেত্রে যুক্ত।
এই বিদেশিদের সাধারণত নবায়নযোগ্য ভিসা দেওয়া হয়। কয়েক বছরের বৈধতা থাকা এসব ভিসা চাকরির সঙ্গে যুক্ত।
স্বল্প আয়ের শ্রমিকরা দেশটির অর্থনীতি গড়ে তুলতে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ব্যবসা এবং ভ্রমণ খাতে জনবল সরবরাহে মূল ভূমিকা রাখেছে।
দীর্ঘদিন থেকে প্রবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এটি মিলছে ধনীদের জন্য।
সৌদিতে অস্ত্র বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত ইতালির : সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইতালি সরকার।
দেশটি জানিয়েছে, তারা সৌদি জোটের কাছে নতুন করে অস্ত্র বিক্রির অনুমতি দেবে না।
২০১৫ সালের ২৬ মার্চ থেকে ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরব ও তার মিত্রদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে আসছিল ইউরোপের দেশগুলো।
এদিকে যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় ইয়েমেনে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
সেখানে খাদ্য নেই, ওষুধ নেই। এ কারণে ইউরোপের মানবাধিকার সংগঠনগুলো ওই আগ্রাসনে ইউরোপও শরিক হওয়ায় এর সমালোচনা করেছে।
