ব্রেকিং নিউজঃ

স্কুল জীবনেই জড়িয়ে পড়েন গরিবের সেবায়

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৩৬ সালে কলকাতায় চোখের চিকিৎসার পরে ফিরে আসেন মাদারীপুরে। এসময় চিকিৎসার কারণে তার লেখাপড়া বন্ধ ছিল। তখন স্বদেশি আন্দোলনের ছোঁয়া লেগেছিল মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জের ঘরে ঘরে। স্বদেশিরা ১৫-১৬ বছরের ছেলেদের দলে ভেড়াতো। বঙ্গবন্ধু রোজ সভায় বসে থাকায় তার ওপর নজর পড়ে কিছু যুবকের।

বঙ্গবন্ধুও মনে করতেন ইংরেজদের এদেশে থাকার অধিকার নেই। স্বাধীনতা আনতে হবে। তিনি সুভাষ ভক্ত হতে শুরু করলেন। তাই বিভিন্ন সভায় যোগ দিতে গোপালগঞ্জ মাদারীপুর যাওয়া আসা করতেন। আর মেলামেশা করতেন স্বদেশি আন্দোলনের লোকজনের সাথে।

তিনি বড় হয়ে শুনেছিলেন সে সময় গোপালগঞ্জে এসডিও বঙ্গবন্ধুর দাদা খান সাহেবকে হুঁশিয়ারিও করে দিয়েছিলেন। ১৯৩৭ সালে আবার লেখাপড়া শুরু করেন শেখ মুজিবুর রহমান। তার পিতা তাকে গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে ভর্তি করে দেন। বঙ্গবন্ধুকে পড়ানোর জন্য কাজী আবদুল হামিদ এমএসসি মাস্টার সাহেবকে বাসায় রাখার ব্যবস্থাও করা হয়। গোপালগঞ্জের বাড়িটিও বঙ্গবন্ধুর পিতা নির্মাণ করেছিলেন।

এদিকে মাস্টার সাহেব এলাকায় গরিব ছেলেদের সাহায্যের জন্য মুসলিম সেবা সমিতি গঠন করেন। এজন্য মাস্টার সাহেবের সাথে বঙ্গবন্ধু প্রত্যেক রোববার মুসলমানদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে মুষ্টি ভিক্ষার জন্য চাল উঠাতেন।

এ চাল বিক্রি করে গরিব ছেলেদের বই, পরীক্ষাসহ অন্যান্য খরচ দিতেন। কিন্তু মাস্টার সাহেব হঠাৎ যক্ষ্মায় মারা যাওয়ায় পরবর্তীতে এই সেবা সমিতি পরিচালনার ভার নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

June 2026
F S S M T W T
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930