এবার ফিলিস্তিনে ট্রাম্পের বন্ধ করা ত্রাণ কার্যক্রম চালুর আশ্বাস কমলার
ফিলিস্তিনিদের মেনে নিতে বাধ্য করতে তাদের সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা বন্ধ করে দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এমনকি ফিলিস্তিনিদের চাপে রাখতে সব ধরনের মানবিক ত্রাণ সহায়তাও বন্ধ করে দেয়া হয়।
ট্রাম্পের বন্ধ করা ওইসব মানবিক ত্রাণ সহায়তা জো বাইডেনের সরকার পুনরায় চালু করবে বলে আশ্বাস দেন নবনির্বাচিত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।
ডেমোক্র্যাটিক দলের এ নেত্রী রোববার দ্য আরব আমেরিকান নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, তার সরকার কোনোভাবেই ট্রাম্পের একপেশে নীতি সমর্থন করবে না। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে আবারও শান্তি আলোচনা শুরু করবে বাইডেন সরকার।
একই সঙ্গে ইসরাইলের দখলদারিত্বকেও সমর্থন করবে না ডেমোক্র্যাট সরকার। আরও পড়ুন:বিশ্বনবীকে (সা.) বিদ্রূপ করে কার্টুন প্রকাশে সমর্থন ও ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্যের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মিসর সফর করেছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-ইয়েভস লে ড্রিয়ান।
এ সফরে ঐতিহাসিক আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যান্ড ইমামের(শাইখুল আজহার) সঙ্গেও দেখা করেছেন তিনি। খবর ডয়চে ভেলের।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের নীতি হলো, ইসলামকে সর্বোচ্চ সম্মান দেখানো।মহানবী হযরত মোহাম্মদকে (সাঃ) সর্বোচ্চ সম্মান দেখানো।
মুসলিমরাও পুরোপুরি ফ্রান্সের সমাজের অংশ। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন।
বৈঠকের পর লে ড্রিয়ান বলেছেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর মন্ত্যব্যের ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে। আমাদের সন্ত্রাসবাদী হুমকি দেয়া হচ্ছে।
শুধু আমাদের দেশেই নয়, অন্যত্রও উন্মাদনা তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। ফলে সকলের সামনে লড়াইটা একই।
এর আগে গত সোমবার মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
গত মাসের শুরুতে প্যারিসের উপকণ্ঠে স্যামুয়েল প্যাটি নামে এক স্কুলশিক্ষককে হত্যা করা হয়।
তিনি ইসলামের নবীর (সা.) বিতর্কিত ব্যঙ্গচিত্র ক্লাসে তার ছাত্রদের সামনে প্রদর্শন করেছিলেন।
এই হামলার পর প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর মন্তব্য করেছিলেন, ফ্রান্স কখনও সহিংসতার কাছে নতিস্বীকার করবে না।ম্যাক্রোঁর তার বক্তব্যে মুসলমানদের বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
এ ছাড়া মহানবীকে (সা.) বিদ্রূপ করে প্রকাশিত কার্টুনকেও সমর্থন করেছেন তিনি। এতে বিক্ষোভের পাশাপাশি ফরাসি পণ্য বয়কটেরও ডাক দিয়েছেন মুসলমানরা।
এ ঘটনার জের ধরে ফ্রান্সের সঙ্গে মুসলিম দেশগুলোর সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল।
খবর জেরুজালেম পোস্টের
