• আজঃ বুধবার, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ ইং
  • English
ব্রেকিং নিউজঃ

স্কুল ভবনের ওপর দিয়ে বিপদজনক ১১ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন

পার্বতীপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ চার মাস ধরে বন্ধ

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বিদ্যুৎ বিভাগের অ-সহযোগিতার কারনে উপজেলার ২১ নম্বর মন্মথপুর চৈতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন দ্বিতল ভবনের কাজ চার মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। সিডিউল অনুযায়ী আগামী ৩০ জুনের মধ্যে নির্মানাধীন স্কুলের দ্বিতল ভবনের কাজ শেষ হওয়ার কথা।

নিদ্ধার্রিত সময়ের মধ্যে নির্মান কাজ শেষ না হলে নির্মান সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারনে যেমন প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির শংকা রয়েছে, একইভাবে করোনাভাইরাস বিস্তারের কারনে থমকে থাকা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু হলে বিদ্যালয় ভবনের অভাবে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পরিবেশ বিঘিœত হওয়ারও শংকা প্রকাশ করেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে স্থানীয় বিদ্যানুরাগী ব্যক্তিদের উদ্যোগে ২১নম্বর মন্মথপুর চৈতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। আজ থেকে প্রায় চার মাস আগে বিগত ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের (পিইডিপি-৪) আওতায় ৬৯ লাখ ৯৪ হাজার ৯০০ টাকা ব্যয়ে এ বিদ্যালয়ের নতুন দ্বিতল স্কুল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়।

স্কুল ভবনের প্রথম তলার নির্মান কাজ শেষ করে দ্বিতীয় তলার পিলার নির্মান করতে গিয়ে লক্ষ্য করা যায় বিদ্যালয় ভবনের ওপর দিয়ে বিপদজনক ১১ কেভি বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন প্রবহমান রয়েছে। এ অবস্থায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন থাকায় ঝুৃঁকিপূন পরিস্থিতিতে স্কুলের দ্বিতল ভবনের বাকি নির্মান কাজ স্থাতিগিত করতে বাধ্য হন।

এদিকে, ২১ নম্বর মন্মথপুর চৈতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান স্কুল ভবনের বাকি কাজ নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে স্কুলের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সরিয়ে নেয়ার জন্য গত ২ ফেব্রæয়ারী পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-২ এর পার্বতীপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম এর কাছে আবেদন করেন।

কিন্তু দীর্ঘদিনেও পল্লীবিদ্যুৎ অফিস সঞ্চালন লাইন সরিয়ে নেয়ার কোন উদ্যোগ গ্রহন করেননি। উল্টো ডিজিএম বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সরিয়ে নেয়ার খরচ বাবদ স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ৪৩ হাজার ৭৯১ টাকা জমা দানের জন্য ‘ডিমান্ড নোট’ প্রদান করেন।

২১ নম্বর মন্মথপুর চৈতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান জানান, কোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এতো বিপুল পরিমান নিজস্ব তহবিল নেই। যাহা দিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের চাহিদা পুরন করা সম্ভব।

এ ব্যাপারে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি দিনাজপুর-২এর পার্বতীপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম মোঃ আব্দুল আলীম স্কুল প্রধান শিক্ষকের আবেদন পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সরকারি অর্থায়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন পুনর্বাসনের প্রকল্প চলমান না থাকায় স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিজ ব্যয়ে সঞ্চালন লাইন সরিয়ে নেয়ার জন্য ‘ডিমান্ড নোট’ প্রদান করা হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে কাজ করতে চাইলে নতুন প্রকল্প না আসা পর্যন্ত ওনাদের অপেক্ষা করতে হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

November 2020
FSSMTWT
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930