ফিলিস্তিন মুক্ত করার সংগ্রাম আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের সমান: আয়াতুল্লাহিল খামেনেয়ী
ফিলিস্তিন মুক্ত করার সংগ্রাম আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের সমান:আয়াতুল্লাহিল খামেনেয়ী।ইহুদিবাদীদের জবরদখল থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার সংগ্রাম মুসলমানদের অবশ্যপালনীয় কর্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী। তিনি বলেন, প্রত্যেক মুসলমানের উচিত যার যার অবস্থান থেকে এই কাজে ফিলিস্তিনি জাতিকে সহযোগিতা করা।
শুক্রবারবিশ্ব কুদস দিবস উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে দেয়া এক দিকনির্দেশনামূলক ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ফিলিস্তিন মুক্ত করার সংগ্রাম আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করার সমতুল্য এবং একটি অবশ্যপালনীয় কর্তব্য। এই সংগ্রামে সাফল্যের শতভাগ গ্যারান্টি রয়েছে।
ইহুদিবাদীদের কবল থেকে মুসলমানদের প্রথম ক্বেবলাসমৃদ্ধ নগরী জেরুজালেম আল-কুদসকে মুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের স্থপতি ইমাম খোমেনী (রহ.) ১৯৭৯ সালে প্রথম এ দিবস পালন করার কথা ঘোষণা করেন।
তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তখন থেকে প্রতি বছর রমজান মাসের শেষ শুক্রবার বিশ্ব কুদস দিবস হিসেবে পালিত হয়ে এসেছে। এ দিবসে বিশ্বের মু’সলমানরা ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন এবং আমেরিকা ও ইসরাইলের পতাকায়
অগ্নিসংযোগ করেন। তারা ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদারিত্ব থেকে আল-কুদসকে মুক্ত করার শপথ নেন।আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী তাঁর ভাষণে আরো বলেন, বিশ্বের জাতিগুলো কুদস দিবসকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা ফিলিস্তিনের মুক্তির পতাকা
উড্ডীন রাখাকে প্রথম ফরজ কাজের মতো নিয়েছে।সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদিবাদের প্রধান নীতি হচ্ছে মুসলমানদের মাঝে ফিলিস্তিন ইস্যুকে গু’রুত্বহীন করে তোলা এবং মুসলমানদের মন থেকে ফিলিস্তিনকে মুছে ফেলা।এখন যে দায়িত্বটি দ্রুততার সঙ্গে পালন করা দরকার তাহলো, এই যে
অপরাধটি মুসলিম দেশগুলোতেই তাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চরদের মাধ্যমে সংগঠিত হচ্ছে তা মোকাবেলা করা। সর্বোচ্চ নেতা আরো বলেন, তবে বাস্তবতা হচ্ছে মুসলিম জাতিগুলোর ক্রমবর্ধমান সাহসিকতা, আত্মবিশ্বাস ও সচেতনতা
ফিলিস্তিন ইস্যুর মতো এত বিশাল ইস্যুকে ভুলিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হতে দেবে না।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং তাদের অনুগত চাকর-বাকরেরা যতই অর্থ ও শক্তি ব্যয় করুক না কেন, সফল হতে পারবে না।সূত্র:পার্সটুডে।
