জবাবদিহি না থাকায় সড়ক খননে বিশৃঙ্খলা: ইকবাল হাবিব
স্থপতি এবং নগরবিশেষজ্ঞ ইকবাল হাবিব বলেছেন, সড়কের খোঁড়াখুঁড়ি কাজের সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া রয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে।
গুরুত্ব বিবেচনা করে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে সেবা সংস্থাগুলোকে সড়ক খননের অনুমোদন দেওয়ার কথা।
একই সঙ্গে সড়ক খননের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ লাঘবের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা। তিনি বলেন, বিআরটি, মেট্রোরেল এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের জনচলাচল ও জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন অন্যকে দোষারোপ করে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হিসাবে সিটি করপোরেশন জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। এক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য, মানুষের স্বাভাবিক চলাচল এবং যানজটের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতিও বিবেচনায় আনতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাবিব বলেন, ঢাকা সিটিতে আমরা লক্ষ করি এপ্রিল-মে মাসে কাজ শুরুর ধুম পড়ে যায়। এর কারণ হচ্ছে জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার তাড়া।
আমাদের দেশে অর্থবছরের শুরুতে বর্ষা শুরু হয়। এজন্য আমরা বছরের শুরু থেকে অর্থবছর হিসাব করার পরামর্শ দিয়েছিলাম। যদিও সেটা কার্যকর হয়নি।
তাড়াহুড়ার কারণে যত্রতত্র সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়। যে কারণে সর্বত্র বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজ করে।
বর্ষার মধ্যে প্রকল্প সমাপ্ত করলেও কাজের মান ভালো হয় না। তিনি বলেন, জবাবদিহি নিশ্চিত হলে যানজট ও জনদুর্ভোগ কমবে। পাশাপাশি কাজের মানও টেকসই হবে।
এছাড়া আরেকটি বিষয় অবাক লেগেছে যে, একই সঙ্গে সব বড় সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। এটা কোনো বিবেচনায়ই যৌক্তিক হয়নি।
