লকডাউনেও চালু থাকবে পোশাক কারখানা
গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার আশপাশের সাত জেলায় লকডাউন চলাকালে এসব এলাকার তৈরি পোশাক কারখানা চালু থাকবে। লকডাউনে আগের মতোই কঠোর বিধিনিষেধ পালন করেই উৎপাদন অব্যাহত থাকবে।
বিকেএমইএ সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জাগো নিউজকে বলেন, এর আগে করোনার ধরন বোঝা গেলেও এবার কিছুই বুঝতে পারছি না। এটা ভয়ের একটা কারণ বলা যায়। আমাদের এ ভয় থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানাটা আরও কঠোর হয়। শ্রমিক বাঁচলে কারখানা বাঁচবে আবার কারখানা টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনও প্রয়োজন। আসছে ঈদে বেতন-বোনাসসহ চলতি মাসের ১৫ দিনের বেতনও দিতে হবে আবার শ্রমিকও বাঁচাতে হবে। সব মিলিয়ে আমরা চেষ্টা করছি আগের মতোই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনের।
বিজিএমইএ পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, আমাদের নতুন করে স্বাস্থ্যবিধি-নিষেধ নিয়ে বলার নেই। আগের মতোই কঠোর স্বাস্থ্যসুরক্ষা ঠিক রেখে উৎপাদনে থাকতে হবে। তাছাড়া আমাদের মনিটরিংও রয়েছে। আমরা স্বাস্থ্যসুরক্ষা শতভাগ মেনেই আগের মতো উৎপাদনে থাকতে চাই। এ বিষয় নিয়ে কোনো কারখানায় কোনো অজুহাত আগেও শোনা হয়নি এখনও হবে না।
করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামীকাল মঙ্গলবার (২২ জুন) থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সাত জেলায় লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।
আজ বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জরুরি ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগামীকাল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
