ভোলায় গরীব জেলেদের ভাগ্যের চাল কার চুলায়?
ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুরের সম্মিলিত ইউপি সদস্যরা ক্যামারার সামনে জানান, সরকারি চাল বরাদ্ধ হয়েছে ২২৪ টন তার থেকে ৩২ টন চাল উধাও। আর এখন কার্ডধারী জেলেদের বাদ রেখে চাল বিতরণ করা হচ্ছে এলাকার কিছু প্রভাবশালীদের।
এর চেয়ে বেদনাদায়ক ঘটনা আর কী হতে পারে? একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবে কাম্য নয়। সাধারণ দরিদ্র জেলেরা তাহলে কোথায় যাবেন? ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে জেলেরা মোটামুটি বেকার থাকেন। বিকল্প কোনো কাজের সংস্থান করা হয় না তাঁদের জন্য। ফলে এ সময় কোনো আয়-রোজগার না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তাঁরা কষ্টে দিনাতিপাত করেন। 
তখন সরকারের বরাদ্দ করা চাল তাঁদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করে। কিন্তু সেই চালই যদি না জোটে, তাহলে তাঁদের কষ্ট সহজেই অনুমেয়।
দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দ চাল জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা আত্মসাতের ঘটনা এটাই প্রথম নয়।
এর আগেও দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন ঘটনা ঘটেছে। সরকারি সহায়তা না পেয়ে এবং বিকল্প কাজ খুঁজে না পেয়ে জেলেরা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরতে বাধ্য হন। ফলে তাঁরা জেল-জরিমানার মুখে পড়েন।
