পাঞ্জাবকে হারিয়ে শীর্ষে রোহিতের মুম্বাই
১৯২ রানের বিশাল লক্ষ্য। জবাব দিতে নেমে নিজেদের মেলে ধরতে পারলেন না লোকেশ রাহুল-মায়াঙ্করা। ফলে বেশিদূর যায়নি কিংস ইলিভেন পাঞ্জাবের ইনিংস। ব্যাটিং ব্যর্থতায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কাছে ৪৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে পাঞ্জাব।
এই জয়ের মাধ্যমে চলতি আইপিএলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ওঠে এল রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। চার ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরে আছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। সমান ম্যাচ খেলে ২ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে আছে লোকেশ রাহুলের পাঞ্জাব। মাত্র ২০ বলে ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছেন পোলার্ড।
আবুধাবিতে আগে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত রোহিত শর্মা ও কাইরন পোলার্ডের ব্যাটে নির্ধারিত ওভারে উইকেটে ১৯১ রান সংগ্রহ করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। রোহিত শর্মা ৪৫ বলে ৭০ রান করেন। কাইরন পোলার্ডের ২০ বলে অপরাজিত ৪৭ এবং হার্দিক পান্ডিয়া করেন ১১ বলে অপরাজিত ৩০ রান।
এদিন ম্যাচের প্রথম ওভারেই ধাক্কা খেয়েছিল মুম্বাই। বাঁ-হাতি পেসার শেলডন কটরেলের দুরন্ত সুইংয়ে বোল্ড হয়েছিলেন কুইন্টন ডি’কক। বোর্ডে কোনো রান ওঠার আগেই পড়েছিল প্রথম উইকেট।
দ্বিতীয় ওভারে মুম্বাই অধিনায়ক রোহিত শর্মা বেঁচে গিয়েছিলেন ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমের সুবাদে। মুহাম্মদ শামির বলে তাঁকে এলবিডব্লিউ দেওয়া হয়েছিল। পরে রিভিউতে দেখা যায় বল লেগ স্টাম্পের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। চতুর্থ ওভারে অবশ্য ফের আঘাত হানে পাঞ্জাব।
ছন্দে থাকা সূর্যকুমার যাদব (১০) রান আউট হন শামির সরাসরি থ্রোয়ে। ২১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় মুম্বাই।
সেখান থেকে মুম্বাইকে টেনে তোলেন রোহিত শর্মা ও ঈশান কিষাণ। দুজনে ৬২ রান যোগ করেন তৃতীয় উইকেটে। ৩২ বলে ২৮ রান করে ঈশান যখন ফেরেন তখন ১৩.১ ওভারে দলের রান ৮৩।
ভাবাই যায়নি সেখান থেকে দুশোর কাছাকাছি স্কোর করবে মুম্বাই।
জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৩ রানে থামে পাঞ্জাব। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন উইন্ডিজ তারকা নিকোলাস পুরান। ২৭ বলে তাঁর ইনিংস থেকে আসে ৩ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কা। ১৮ বলে ২৫ রান করেন মায়াঙ্ক। ১৭ রান আসে অধিনায়ক রাহুলের ব্যাট থেকে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স : ২০ ওভারে ১৯১/৩।
কিংস ইলিভেন পাঞ্জাব : ২০ ওভারে ১৪৩/৮।
ফল : ৪৮ রানে জয়ী মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : কাইরন পোলার্ড (মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স)।
