ব্রেকিং নিউজঃ

ফলো আপ

চরফ্যাসনে খাদিজা হত্যা মামলা সন্দেহের তীর বাবা ও ফুফুর দিকে

ভোলা জেলার চরফ্যাশন পৌরসভা দক্ষিন ফ্যাসন ১নং ওয়ার্ডে উদ্ধার হওয়া মৃত মেয়েটি জাহানপুর ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের ফারুক মিয়ার মেয়ে নাম খাদিজা।

তার হত্যার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের তীর বাবা ও ফুফুর দিকে।

জানাগেছে,মেয়েটিকে পিতা ও ফুফু মিলে ১২বছর বয়সে মেয়েটিকে জোর পূর্বক বিয়ে দিয়েছেন ঢাকার এক বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে৷ স্বামী ছিলো বয়স্ক ও সেই স্বামীর ঘরে একটি ৭বছরের মেয়েও আছে তার৷

তবে টাকা পয়সা ভালোই আছে৷ দেখতে সুন্দর ও লম্বা মেয়েটি স্বাভাবিকভাবে বয়স্ক ও পূর্বের সন্তান থাকা স্বামীর সাথে সংসার করতে চায়নি কখনো৷

কোন প্রকারেই মেনে নিতে পারছেন না এ বয়স্ক স্বামী কে৷ এজন্য মেয়েটিকে আজ লাশ হতে হলো। মেয়েটির “মা” নেই।

তার মাকে পিতা ফারুক অনেক আগেই ডিভোর্স দিয়েছিলো৷ মায়ের সাথে মায়ের কোন সম্পর্ক তৈরি করতে দেয়নি পাষণ্ড পিতা৷

মেয়েটির গার্ডিয়ান অর্থাৎ বাবা ও ফুফু তাকে জোর পুর্বক স্বামীর বাসা ঢাকায় পাঠালে সে স্বামীকে না বলে চরফ্যাশনে চলে এসেছে অনেকবার৷

তবে মেয়েটির চরফ্যাশনে কারো সাথে সম্পর্ক থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে৷

এসকল ঘটনায় মেয়েটির বাবা তার মান-সম্মানের ভয়ে মেয়েটিকে অনেক দিন যাবত মধ্যযুগীয় কায়দায় পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছে।

১০ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে চরফ্যাশন সদর রোড ফল ব্যবসায়ী অনেকেই দেখেছে মেয়েটিকে শিকল দিয়ে বেধেঁ রিকশায় করে দুই লোক  অন্যত্র নিয়ে যেতে।

মেয়েটি চিৎকার করছিল৷ কে বা কারা নিয়েছে চিনতে পারেনি লোকটিকে। ১২সেপ্টেম্বর বিলের মধ্যে লাশ পাওয়া যায়।

মেয়েটি যখন কোনভাবেই তার বয়স্ক স্বামী কে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন খাদিজার প্রতি অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যায়।

পারিবারিক কলহ ও বাবা মেয়ের সম্পর্কের অবনতি ঘটে৷ এ কারণে তার পিতা এবং ফুফু দফায় দফায়  মারধর করতো মেয়েটিকে৷

এমনকি মেয়েটিকে নাকি মাঝে মাঝে হত্যার হুমকিও দিয়েছে৷ একবার বরিশাল থানা পুলিশের হাতে মেয়েটিকে সোপর্দ করে তার বাবা৷

উল্লেখ্য,  ১২ সেপ্টেম্বর তার লাশ পাওয়া গেল চরফ্যাশনে পৌড়সভা ১নং ওয়ার্ডে দক্ষিন ফ্যাসন গ্রামে তার ফুফুর বাড়ির কাছে বিলের মধ্যে৷ লাশ ময়না তদন্তের জন্য ভোলায় প্রেরন কার হয়েছে।

রিপোর্ট আসলে বাকী তথ্য মিলবে বলে আশা করেন চরফ্যাসন থানা পুলিশ।

অনেকের মতামত তার বাবা এবং ফুফুকে থানা হেফাজতে জিঙ্গাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসতে পারে আরো নতুন নতুন তথ্য।

মেয়েটির ফোন কল ট্রাক করলেই হয়ত ঘটনার সূত্রপাত বের করা সম্ভব হবে।

এ ব্যাপারে চরফ্যাসন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেন মিয়া জানান, অজ্ঞাত নামে কয়েক জনকে আসামী করে হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলা নং -৭।

আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে তবে মেয়ের বাবা এবং ফুফুর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

August 2026
F S S M T W T
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031