জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল
জনগণের ম্যান্ডেটবিহীন সরকার জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারই ধারাবাহিকতায় তারা বিএনপিকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয় না, মানববন্ধন করার স্পেস দেয় না।
শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) নয়াপল্টনে বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় তাৎক্ষণিব প্রতিক্রিয়ায় এ অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, এই স্বৈরতান্ত্রিক ও জনগণের ম্যান্ডেটবিহনী সরকার তারা জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় তারা সমাবেশ করতে দিচ্ছে না, র্যালী করতে অনুমতি দেয় না। এটা এখন একটি গতানুগতিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনগণকে দমিয়ে রেখে, মানুষের আকাংখাকে দমিয়ে রেখে এরা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায়, রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।
খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনি এতো অসুস্থ যে, তার অসুস্থতার পরেও তাকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। এটা অত্যন্ত ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দেয়া হচ্ছে না। আমরা চেষ্টা করছি জনগনকে সংগঠিত করে দেশনেত্রীকে ফিরিয়ে আনবার জন্য, তাকে আমরা মুক্ত করবার।
আপনারা আগে বলেছিলেন যে, পুলিশের অনুমতি ছাড়াই সমাবেশ করবেন সাংবাদিকদের এরকম প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যে আমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব করা, স্পেসগুলোকে নিয়ে চেষ্টা করছি।
এরআগে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়। এই আদেশের প্রতিবাদে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শনিবার দুপুর ২টায় বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করলেও পুলিশের কাছ থেকে তার অনুমতি মেলেনি।
সকাল সাড়ে ১১টায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নয়া পল্টনের কার্যালয়ে আসেন। সে সময়ে পুলিশ কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়েছিলো। বিএনপি মহাসচিব পুলিশকে গেইট গেছে একটু দুরত্বে থাকার জন্য অনুরোধ জানান। পরে অবশ্যই পুলিশ দূরে সরে যায়। প্রায় দেড় ঘন্টা অবস্থান মির্জা ফখরুল কার্যালয় থেকে চলে যান।
