অতিরিক্ত খাদ্য আমদানি করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত খাদ্য আমদানি করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সরকারপ্রধানে এই নির্দেশনার কথা সাংবাদিকদের জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘ইতোমধ্যেই পাঁচ দেশ থেকে খাদ্য আমদানির চুক্তি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শুধু এর ওপর নির্ভর না করে বিকল্প হিসেবে আরও কয়েকটি উৎসকে প্রস্তুত রাখতে হবে, যাতে শেষ মুহূর্তে কোনো জটিলতা না হয়।’
তিনি বলেন, ‘খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মুহূর্তে দেশে ১৯ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত আছে। নভেম্বরে বিশ্বে যে খাদ্য ঘাটতির শঙ্কা আছে, তাতে অনেক কমফোর্টেবল অবস্থায় আমরা আছি।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘রাশিয়া, ভারত, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড থেকে খাদ্যশস্য আনার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। রাশিয়া থেকে খাদ্যশস্য আনতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’
করোনার অভিঘাতের পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারাবিশ্বে খাবার ও জ্বালানির দাম বেড়েছে। বাড়তি মূল্যস্ফীতির কারণে অনেক দেশই হিমশিম খাচ্ছে।
ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিলাসী পণ্য আমদানি কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমাতে হয়েছে বাংলাদেশ সরকারকে। এই সঙ্কটের মধ্যে নিত্যপণ্যের দাম যেন আরও বেশি অস্থির না হয়, সেজন্যই খাদ্য মজুত ঠিক রাখার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধ্যায় গণভবনে এক অনুষ্ঠানেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক সঙ্কট বিবেচনায় রেখে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন তার সরকারের অগ্রাধিকার।
