গুজব প্রতিরোধে শতাধিক আইডি নজরদারিতে
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়াচ্ছে এবং অসত্য তথ্য দিয়ে জনগনকে বিভ্রান্ত করছে এমন শতাধিক ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপ নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।
গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের নামেও ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে প্রতারণা, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।
এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে শনিবার জানিয়েছেন পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা।
আইনশৃংখলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, করোনা নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এর মধ্যে গুজব ছড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হচ্ছে। করোনা ভাইরাস নিয়ে অসত্য তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করারও অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
গুজব সৃষ্টিকারীদের বুঝিয়ে কনটেন্ট মুছে ফেলা হচ্ছে এবং সতর্ক করা হচ্ছে। ডিএমপি এবং পুলিশ সদর দপ্তরের ফেসবুক পেজ থেকে নিয়মিত প্রচার চালানো হচ্ছে। সতর্ক করার পরও গুজব ছড়িয়ে যারা দেশে অস্থিরতা তৈরি করতে চায় তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। শতাধিক ফেসবুক আইডি নজরদারিতে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এআইজি সোহেল রানা বলেন, পুলিশের সুনির্দিষ্ট একটি অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ রয়েছে। কিন্তু ইদানীং কিছু অসাধু ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান পুলিশের নাম কিংবা লোগো ব্যবহার করে ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ নামে কিংবা বাংলাদেশ পুলিশ নামের কিছু অংশ ব্যবহার করে ফেক পেজ বা গ্রুপ খুলেছেন।
অনেকেই ওইসব ফেক পেজকে বাংলাদেশ পুলিশের আসল পেজ মনে করে যেমন লাইক-শেয়ার দিচ্ছেন, তেমনি ওইসব পেজে দেয়া নানা প্রলোভনে পড়ে বিভ্রান্ত ও প্রতারিত হচ্ছেন। এসব ভুয়া পেজ, গ্রুপ ও সাইটের ব্যাপারে সকলকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
পাশাপাশি এ ধরনের কোনো ফেক পেজ কারও চোখে পড়লে সেই পেজের লিংক পুলিশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের মেসেঞ্জারে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
তিনি আরো বলেন, এমন ফেক পেজ, গ্রুপ ও সাইট খোলা বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ। সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের ফেক ও অননুমোদিত পেজ, গ্রুপ ও সাইট অনতিবিলম্বে বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।
