এপ্রিলেই মানবদেহে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ
চীন থেকে ছড়ানো মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিশ্বের ১৫২টি দেশ। আর আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চীনে। দেশটিতে ৮০ হাজার ৮৪৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩ হাজার ১৯৯ জন।
এদিকে, চীনা কর্মকর্তাদের দাবি, জরুরি পরিস্থিতি এবং ক্লিনিকাল পরীক্ষার জন্য আগামী মাসে একটি করোনভাইরাস ভ্যাকসিন প্রস্তুত রয়েছে তাদের। সাউথ চীন মর্নিং পোস্টের বরাত দিয়ে সময়টিভি জানায়, দেশের ৮টি ইনস্টিটিউট করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে ৫টি পদ্ধতির ওপর কাজ করছে।
বিষয়টি নিয়ে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক ঝেং ঝংওয়ে জানান, এপ্রিল মাসে ভ্যাকসিনগুলো ক্লিনিক্যাল গবেষণায় প্রবেশ করবে।
জরুরি পরিস্থিতিতে এটা ব্যবহারের সুযোগ পাবে। যদিও চীনা আইন অনুসারে এই ভ্যাকসিনগুলো সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। ততদিন পর্যন্ত অপেক্ষা না করে জরুরি পরিস্থিতিতে সেটা ব্যবহারের চেষ্টা করা হবে।
এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ম্যাসাচুসেটসভিত্তিক বায়োটেকনোলজি সংস্থা মোদার্না ইনক তাদের আবিষ্কৃত করোনা ভ্যাকসিনটি গত মাসের শেষের দিকে পরীক্ষা করার জন্য জাতীয় অ্যালার্জি এবং সংক্রামক রোগ ইনস্টিটিউটে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক ফলাফল জুলাই বা আগস্টের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে।
