ভারত ও চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক চূড়ান্ত নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্রিকস সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক এখনও চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
সোমবার (২১ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মূলনীতি হচ্ছে শান্তি ও স্থিতিশীলতা’।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি-জামায়াত জোটের শাসনামলে বাংলাদেশে জিহাদি তৎপরতা, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি যেভাবে প্রসারিত হয়েছিল সেটি ফিরে আসলে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আফগানিস্তানের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘১৭০ মিলিয়ন মানুষের দেশে যদি জিহাদি (ক্রিয়াকলাপ) থাকে, তাহলে পুরো অঞ্চলের ভবিষ্যত অন্ধকার হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, উন্নয়নের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা অপরিহার্য এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উভয় অঞ্চলে উন্নয়নের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। ভারতও সমগ্র অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার গুরুত্ব উপলব্ধি করে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জোহানেসবার্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাত চেয়েছিল কারণ নয়াদিল্লিতে সেপ্টেম্বরে জি-২০ -এর সাইডলাইনে উভয় প্রধানমন্ত্রীর বিস্তৃত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জোহানেসবার্গে সময় খুবই সীমিত। এবং সরকারগুলো শেষ মুহূর্তে সবকিছু নিশ্চিত করে।
তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী এবং চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনো বৈঠক হলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়, পূর্বের সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা আরও বিনিয়োগ এবং আরও বাণিজ্য চাই। সাধারণত আমরা এই বিষয়গুলো উত্থাপন করি।
এমিরেটসের একটি নিয়মিত ফ্লাইট (ইকে ৫৮৩) ২২ আগস্ট সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (এইচএসআইএ) থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
