যে কারণে একদিনেই ২০ বিলিয়ন ডলার হারালেন মাস্ক

নাসড্যাক টেসলার শেয়ারগুলির ৯.৭% (প্রায় ২৬৩ ডলার) পতন হয়েছে। সেই পতনের কারণে ২০.৩ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন ইলন মাস্ক। এদিকে সঙ্কুচিত মুনাফার মধ্যে চলা কোম্পানির সামনে আরও বড় ধাক্কা আসতে পারে বলে আগাম সতর্ক করেছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।

টেসলার সিইও বলেছেন যে, সুদের হার বাড়তে থাকলে ইভি জায়ান্টকে দাম কমিয়ে রাখতে হবে। এর পরের ঘটনাটি হল টেসলা স্টকের এই ক্র্যাশ। একদিনে এই ২০ বিলিয়ন ডলারের পতনের কারণে মাস্ক এবং বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি বার্নার্ড আর্নল্টের মধ্যে সম্পদের ব্যবধান আরও কমে এসেছে। বর্তমানে আর্নল্টের মোট সম্পদ ২০১ বিলিয়ন ডলার এবং মাস্কের ২৩৪ বিলিয়ন ডলার।

ইলন মাস্ক একমাত্র প্রযুক্তি বিলিয়নেয়ার নন, যিনি এই ধাক্কা সামলাচ্ছেন। অ্যামাজনের জেফ বেজোস, ওরাকলের ল্যারি এলিসন, মাইক্রোসফটের প্রাক্তন সিইও স্টিভ বালমার, মেটার মার্ক জুকারবার্গ, এবং অ্যালফাবেটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন ২০.৮ বিলিয়ন ডলারের নেট মূল্য হারিয়েছেন। ৫২ বছর বয়সী ইলন মাস্ক স্পেসএক্স, দ্য বোরিং কোম্পানি এবং টুইটারে তার হোল্ডিং ছাড়াও টেসলায় তার অংশীদারিত্ব থেকে প্রাথমিকভাবে তার সম্পদ অর্জন করেছেন।

ব্লুমবার্গের মতে, মাস্ক টেসলার প্রায় ১৩% এবং স্পেসএক্সের ৪২% (একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে) মালিকানাধীন।

কিন্তু মাস্কের চলার পথ অতটা সহজ ছিল না, যিনি শৈশব থেকেই সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। আমরা যদি ১০ বছর পিছনে তাকাই, তাহলে দেখতে পাবো তার মোট সম্পদ উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে গেছে। এমনকি যদি আমরা গত কয়েক মাসের দিকে ফিরে তাকাই, এটি এলন মাস্কের জন্য আরেকটি আলাদা রোলারকোস্টার ছিল।

ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের শেষের দিকে, এই বিলিয়নেয়ার ২০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ হারিয়েছেন। সেই সময়, তিনি বার্নার্ড আর্নল্টের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির খেতাব হারিয়েছিলেন।

তবে ২০২৩ থেকে তার ভাগ্য খুলতে শুরু করে। কিন্তু টেসলার শেয়ারে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের ফলে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির খেতাব কতদিন ধরে রাখতে পারবেন সেই প্রশ্ন আবারও জন্ম দিয়েছে।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

June 2024
F S S M T W T
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930