আজ ভয়াল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছিল ভোলা বাসী

উপকূলীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা দিন। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর ইতিহাসের সাক্ষী ভয়াল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছিল ভোলা বাসী ।

বাংলার মানুষ কাঁদো, ভোলার গাছে গাছে ঝুলছে লাশ,,।উদ্ধার করতে কেউ আসছে না।

১৯৭০  সালের ১২  নভেম্বর ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সাইক্লোন ও ঝড় জলোচ্ছ্বাস ভোলা জেলা সাতটি উপজেলা সহ সহ বিভিন্ন জেলায় এ সাইক্লোন ব্যাপক ধ্সযজঙ ঘটেছিল।

শুধু ভোলা জেলা লাখের বেশি মানুষ নিহত ও গবাদি পশু মারা যায় সেই ভয়াল স্মৃতি আজো মনে পড়তেই, সেই সময়ে স্বজনদের হারানো মানুষ আতষ্ক উঠে।

তেমনি স্বজন হারানোর স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে কেঁদে উঠলো ভোলা প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য জহিরুল ইসলাম মঞ্জু আর বললেন চরফ্যাশন তাঁর মা ও এক ভাই কে জলোচ্ছ্বাস নিয়ে গেছে, তাদের ফিরে পাননি।

স্মৃতি রোমন্থন করতে চোখে পানি এসে গেল। ভাই ভোলা জেলা পরিষদ হল রুমে গত বছর ৫০ বছর উদযাপন করলো ভোলা বাসী।ও অনুষ্ঠানে ভোলা প্রবীন সাংবাদিক এমন এ তাহের ও প্রবীন সাংবাদিক  এম হাবিবুর রহমান ভয়াল স্মৃতি রোমন্থন করতেই উপস্থিত সকলেই অনেক অজানা তথ্য জানতে পারেন।

শ্রদ্ধা ভাজন সম্পাদক হাবিবুর রহমান জানান, ভোলা গাছে গাছে লাশ ঝুলে আছে,সাপ মানুষ পশু সব কিছু গাছের নিচে, পানিতে ভাসছে, দেখার আর উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন নাই।

তিনি এই বিভৎস বর্ণনা ছবি তোলার পর তার শ্যালক খলিল ভাই কে দিয়ে তৎকালীন পূর্ব দেশ পত্রিকার সম্পাদক কে পাঠানো ছবি পরদিন সকালে পূর্ব দেশ পত্রিকার ছাপা হয়েছে।

ঐ দৃশ্য দেখে বাংলা মানুষ ফুঁসে উঠেছে। মাওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ একটি টিম ভোলায় এসে ছিল।

তখন ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন,আজ ওরা পাকিস্তানের সরকার খোজ নেননি।

ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি  সভাপতি ফজলুল কাদের মজনু মোল্লা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু,জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী, মরহুম ফরিদ হোসেন বাবুল, মরহুম আফসার উদ্দিন বাবুল অনেকেই স্মৃতি কথা বলে ছিলেন ।

পরবর্তী সময় বঙ্গবন্ধু জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত থেকে রক্ষার জন্য ভোলা জেলা বেরী বাঁধ নির্মাণ করার ও উপকূলীয় বেষ্টনী তৈরি করতে বেশি করে গাছ রোপণ করা কর্ম সূচী গ্রহণ করে।বক্তারা ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর ইতিহাসের জেলার ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

সকলের একটা দাবি, এই দিনটি উপকূলীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক আর সেই সময়ের তারা বেঁচে আছেন , তাদের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

রাষ্ট্র ও ভোলা জেলা প্রশাসক ও সরকারী বেসরকারী পর্যায়ে দিবস উপলক্ষে র্র্যালী, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা উচিত।

দ্বীপ জেলার  ২০  লাখ ভোলা বাসীর দাবি আগামী ১২ নভেনবর ২১ যথাযোগ্য মর্যাদায় উপকূলীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হোক।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

November 2021
FSSMTWT
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930