তিন ফিলিস্তিনি নিহত ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে
ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর আগ্রাসনে গত নয় দিনে অন্তত তিন নিরীহ ফিলিস্তিনির প্রাণহানি ঘটেছে।
সর্বশেষ শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পশ্চিম তীরে এক ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করে দখলদার সেনারা।
খবর আনাদোলু এজেন্সির। গত রবিবারও (৩১ জানুয়ারি) পশ্চিম তীরে এক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছিল ইহুদিবাদী সেনারা।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ওই ফিলিস্তিনি সেনাদের ওপর ছুরি দিয়ে আক্রমণের চেষ্টা করছিল।
যদিও তার আগে ২৬ জানুয়ারি একই অভিযোগে ১৭ বছরের এক কিশোরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক শুক্রবারের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পশ্চিম রামাল্লাহর কারকর গ্রামের ভিলেজ কাউন্সিলের প্রধান রাধি আবু ফাখিদা বলেন, সকাল থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী রাস কারকর এলাকায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছিল।
যারা ভেতরে ছিল তাদেরকে স্থান ত্যাগে বাধা দেয় ইসরায়েলি বাহিনী।
পরে ফিলিস্তিনি নাগরিক মৈত্রী কর্তৃপক্ষ খালেদ নওফালের মৃত্যুর খবর পায়। খবর পেয়ে খালেদের পরিবারকে তার মৃত্যু সম্পর্কে জানায়।
খালেদ নওফালের মৃতদেহ দখলদার ইসরায়েলের কাস্টডিতে ছিল।
চলতি বছরের শুরুতে ইসরায়েলভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন বি-স্লিম জানায় ২০২০ সালে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ২৭ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। যার মধ্যে সাতজন শিশুও ছিল।
মানবাধিকার সংগঠনটি জানায়, তারা ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক ২৭টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে পশ্চিম তীরের ১৬টি হত্যার ঘটনা তদন্ত করেছে।
তদন্ত করে তারা অন্তত ১১ জনকে কোনো বৈধ কারণ ছাড়াই হত্যা করার প্রমাণ পেয়েছে। আরও পড়ুন : নেপালে পার্লামেন্ট ভাঙার প্রতিবাদে মশাল মিছিল ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি ইসরায়েল অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করে।
আটক করা যায় সন্দেহভাজন এমন অভিযুক্তকে ইহুদি সেনারা গুলি করে হত্যা করে।
১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল পশ্চিম তীর দখল করে। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের চার লাখ ৭৫ হাজার বসতি আছে আন্তর্জাতিক আইনে যেটা অবৈধ। ওই অঞ্চলে ২৮ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করে।
