মাদারীপুরে দেহ ব্যবসায় রাজি না হওয়ায় গৃহবধুকে গণধর্ষণ
শিবচরে এক গৃহবধুকে (১৯) গণধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১২ ডিসেম্বর)দিবাগত রাত ২ টার দিকে শিবচর থানায় ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধু বাদী হয়ে আখি আক্তার(২৫), সুবল মন্ডল ওরফে সুমন মোল্লা(৩২), সোহেল(৩৫), এসকান(৩৭) ও অটোরিক্সা চালক সোহাগ হাওলাদার(৩৫) এদের নামে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আখি আক্তার ও সোহাগ হাওলাদার নামে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে শিবচর থানা পুলিশ।
মামলার বিবরন ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার রাজারচর মোল্লাকান্দি এলাকার আখি আক্তার (২৫) নামের এক পূর্ব পরিচিত মহিলা সাথে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীকে দেহ ব্যবসায়ের সাথে সম্পৃক্ত হতে বিভিন্ন সময়ে প্রস্তাব দিতো।
তবে এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই মহিলার সাথে শত্রুতা তৈরি হয় ভুক্তভোগীর। গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে তার বাচ্চার জন্য দুধ কেনার টাকা আনতে ভুক্তভোগী ওই নারী পাঁচ্চর বাস স্টান্ডের সোনার বাংলাপ্লাজার কাছে তার ফুপাতভাইয়ের নিকট আসেন।
সেখান থেকে পাঁচ জন ব্যক্তি জোরপূর্বক ওই গৃহবধুকে একটি ইজিবাইকে উঠিয়ে পাশ্ববর্তী পদ্মাসেতুর বাখরেরকান্দি প্রজেক্টের মধ্যে একটি একতলা বাড়িতে নিয়ে যায়।
সেখানে প্রথমে হাত-পা ও মুখ বেঁধে আটকে রেখে তাকে মারধর করে আসামীরা। পরে সোহেল, এসকান ও সুবল মন্ডল নামের তিন ব্যক্তি তাকে একাধিকবার ধর্ষন করে।
পরে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মুখ বেঁধে ইজিবাইকে করে পূনরায় ধর্ষণের জন্য অন্যত্র নেওয়ার সময় ওই নারীর চিৎকার দিলে স্থানীয় কয়েকজন যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে ইজিবাইকটির পথরোধ করে। এসময় ইজিবাইকে থাকা আসামীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
এসময় গৃহবধুকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। শিমেডিকেল রিপোর্টের জন্য ভুক্তভোগীকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ইতমধ্য আমরা দুইজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। বাকী আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’বচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মিরাজ হোসেন বলেন,‘প্রাথমিক ভাবে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া গেছে।
