• আজঃ শনিবার, ১৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং
  • English
ব্রেকিং নিউজঃ

ভারতের সঙ্গে বিতর্কিত সীমান্তে ড্রোন, নতুন রকেট ল্যান্সার পরীক্ষা করছে চীন

চীনের নতুন রকেট ল্যান্সার নমনীয় ব্যাকআপ শক্তি যোগাতে পারে। পার্বত্যভূমিতে যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠা ও ভারতে সঙ্গে দেশের সীমান্তে বিরোধপূর্ণ এলাকায় সহজে সরবরাহ পাঠানোর জন্য আরো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে চীন।

চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার খরবে বলা হয়, পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) বিভিন্ন ধরনের নতুন অস্ত্র পরীক্ষা করছে। এর মধ্যে নতুন ইনফেনট্রি রকেট ল্যান্সার রয়েছে।

এই রকেট দিয়ে ট্যাঙ্ক ও বাঙ্কার ধ্বংস করা যাবে। রোববার চীনের সেন্ট্রাল টেলিভিশনের এক খবরে বলা হয়, এসব রকেট ল্যান্সার সমুদ্র সমতল থেকে গড়ে ৪,০০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় পরীক্ষা করা হয়।

পিএলএ’র ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের ৭৭তম গ্রুপ আর্মি লাইভ-ফায়ার মহড়া চালিয়ে রকেটগুলো পরীক্ষা করে।

সাংহাইভিত্তিক নিউজসাইট ইস্টডে.কম জানায়, এসব রকেট ল্যান্সার নতুন এবং হালকা, টাইপ-১১ ৯৩ এমএম।

এগুলো দিয়ে বিভিন্ন ধরনের গোলা নিক্ষেপ করা যায়। রিপোর্টে বলা হয়, টাইপ-১১ ৯৩এমএম রকেট ল্যান্সারের ক্যালিবার বেশী, আগেরগুলো ছিলো ৮০এমএম।

নতুনগুলোর সর্বোচ্চ পাল্লা ৮৫০ মিটার এবং বহুমুখি গোলা ব্যবহারের উপযুক্ত।

এসব রকেট ল্যান্সার লাইট ইনফেনট্রি ইউনিটগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ও নমনীয় ব্যাকআপ ফায়ারপাওয়ার যোগাবে।

এদিকে, সামাজিক গণমাধ্যমে তিব্বত মিলিটারি কমান্ডের কর্মকর্তারা বুধবার লিখেন যে, ওই অঞ্চলের রাজধানী লাসার জেনারেল হসপিটালে একটি হ্যালিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে।

হেলিকপ্টারে করে রোগী বহনের জন্য এটি প্রস্তুত। কমান্ড জানায়, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা থেকে আহত সেনাদের নিয়ে আসতে সময় বাঁচানোর জন্য এই হ্যালিপ্যাড নির্মাণ করা হয়।

লাসার একেবারে কাছের শহর শিগাতসি থেকে এম্বুল্যান্সে রোগী আনতে গেলে অন্তত ৬ ঘন্টা লাগে।

শত্রুর বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য অনেক নতুন অস্ত্রের খবর দিয়েছে সিসিটিভি।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে আহতদের বহন করার জন্য অল-টেরেইন ক্রলার এবং যুদ্ধক্ষেত্রে রেশন, গোলাবারুদ ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য ড্রোন, রোবট ও নতুন ট্রান্সপোর্টার।

এক রিপোর্টে বলা হয়, রোডব্লকের সমস্যা কাটিয়ে সেনা দলের কাছে গরম খাবার পাঠানোর জন্য বহু সংখ্যক ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে এবং এগুলোর মহড়া চালানো হয়েছে।

তিব্বত ছাড়াও জিনঝিয়াং, ইউনান ও সিচুয়ান প্রদেশে পিএলএ ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। এখান থেকে সেনাদের দ্রুত ভারত সীমান্তে নিয়ে যাওয়া যাবে।

তবে দূরের এলাকায় সেনা ও সরঞ্জাম পরিবহনের সমস্যা নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন।

হংকংভিত্তিক সামরিক বিশ্লেষক সং ঝংপিং বলেন, পার্বত্যভূমিতে লড়াই করার উপযুক্ত অনেক অস্ত্র চীনেই তৈরি হয়েছে এবং সেগুলো মালভূমিতে পরীক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারতের বেশিরভাগ অস্ত্র বাইরে থেকে আমদানি করা এবং সেগুলো ৫,০০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় পরীক্ষা করা হয়নি।

সুত্র: এসসিএমপি

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর