• আজঃ শনিবার, ১৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং
  • English
ব্রেকিং নিউজঃ

“৮০ লক্ষ ইহুদীর জন্য ১৫০ কোটি মুসলমান আবাবিল পাখির অপেক্ষায়

“৮০ লক্ষ ইহুদীর জন্য ১৫০ কোটি মুসলমান আবাবিল পাখির অপেক্ষা করছে।

আবাবিল যদি আসেও তাহলে ইসরায়েল নয়, মুসলিমদের ওপর পাথর খন্ড নিক্ষেপ করবে।আবিদ ইহসান : তুরস্কে তখন ইসলামী অনুশাসনের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা। মুসলমানরা নিজেকে মুসলিম হিসেবে পরিচয় দিতে দ্বিধাবোধ করতো।

আল্লাহর দেয়া ফরজ কাজসমূহ পালনের ক্ষেত্রে সর্বদা ভয়ে ভয়ে থাকতে হতো।

সে দুঃসময়কে পালটে দিতে, সময়ের বিপরীত স্রোতে চলার অবিচল মনোবল নিয়ে, তুরস্কের মানুষের ভেতরে ইসলামী ধ্যান-ধারণা জাগ্রত করার লক্ষ্যে ও আবারও বৃহৎ তুরস্ক গড়ার লক্ষ্যে এবং জায়োনিজমের বিষদাত ভেঙ্গে নতুন এক বিশ্বব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রখ্যাত আলেম জাহেদ আহমেদ কুতকু এর পরামর্শে ১৯৬৯ সালে ১০ জন উম্মাদকে নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন মিল্লি গুরুশ (জাতীয় ভিশন অর্থাৎ ইসলামী ভিশন) আন্দোলনের।

পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজকে গড়ো।” এটি শুধু স্লোগান নয়, বাস্তব একটি সত্য কথা।

যাদের লক্ষ্য হবে পৃথিবীকে পরিবর্তন তাদের প্রথম কাজ হবে নিজেদেরকে পরিবর্তন করে শক্তিশালী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া।

সে লক্ষ্যে তার্কির উন্নয়নের জন্য, মুসলিমদের জীবন-যাপন সহজ করার উদ্দেশ্যে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং দল গঠনের পরপরই বলেছিলেন- “আগামী নির্বাচনে আমরাই ক্ষমতায় থাকবো।

সবাই বলেছিলো- লোকটা ইউটোপিয়ান।নির্বাচনের ফলাফলে মিল্লি সালামেত পার্টির আসন সংখ্যা ৪৮। এখন তাদের সাথে কোয়ালিশন ব্যতিত ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়।

বাধ্য হয়ে সিএইচপি প্রফে.ড.নাজমুদ্দিন এরবাকানের মিল্লি সালামেত পার্টির সকল দাবী দাওয়া মেনে নিয়ে(৫ মন্ত্রণালয়, ও ভাইস-প্রাইমিনিস্টার পদ দেওয়ার শর্তে) কোয়ালিশন করে।

তখন মিডিয়ার সামনে এসে বলেছিলেন- “এখন কারা ক্ষমতায়?ক্ষমতায় এসে কীভাবে কাজ করা যায়, আমেরিকাকে বুড়ো আংগুল দেখিয়ে কীভাবে নির্যাতিত মুসলিমদের অধিকার ফিরিয়ে দেয়া যায় তা করে দেখিয়েছেন মাত্র ৪ বছরের ক্ষমতায় তাও মাত্র ৪৮ টি আসন নিয়ে।

৭৪-৭৮ সালের কার্যাবলী- ১) উপ-প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে, তার্কির প্রধানমন্ত্রী বৃটেন সফরে গেলে প্রধানমত্রীর দায়িত্ব অর্পিত হয় এরবাকান হোজার উপর।

সাথে সাথেই দেরী না করে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেন। সাইপ্রাস দখল করার, একরাতে যতটুকু পারা যায়।

আমেরিকান ওয়ারক্রাফট যদি আসে তাহলে সেখানেও হামলা করার নির্দেশ দেন।

সাইপ্রাস বিজয়ের পর আমেরিকাও কোন কথা বলতে সাহস পায় নি এবং বাধ্য হয়ে তার্কির প্রধানমন্ত্রী দ্রুত বৃটেন ত্যাগ করে দেশে ফিরে আসেন। ২) আজ যারা আমেরিকার ভয়ে তাদের ঘাঁটিসমূহ বন্ধ করতে সাহস পায় না তাদের জন্য উদাহরণ হচ্ছেন ড.এরবাকান।

৭৪ এর সাইপ্রাস বিজয়ের পর আমেরিকা তার্কির উপর ঊসনধৎমড় দেয়। তার্কির ইসলামপন্থী থেকে শুরু করে অনেকেই তাকে দোষারোপ করছিলো সাইপ্রাস বিজয়ের জন্য এবং আমেরিকার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে শংকিত ছিলো।

সে সময়ে যারা আমেরিকার ভয়ে কাবু ছিলো তাদের উদ্দেশ্যে সংসদে দাঁড়িয়ে ধমকের সুরে বলেছিলেন- “আমেরিকা আমার কী??” (আমেরিকা আমার কী করবে?)

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর