হিন্দুত্বাবাদী সন্ত্রাসীদের টার্গেটে মুসলিমরা: কোন পথে ভারত?
মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে (সিএএ) নিয়ে শুরু থেকেই প্রতিবাদে সরব ছিল সাধারণ মানুষ।
এখন এই বিতর্ক ইস্যুতে অগ্নিগর্ভ রাজধানী দিল্লি। উগ্র হিন্দুত্ববাধীদের তাণ্ডবে প্রাণ হারিয়েছে অসংখ মানুষ। ইতোমধ্যেই অন্তত ৩৭ জন নিহত হয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই মুসলিম, তবে হিন্দুদের সংখ্যা রয়েছে। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন অনেকেই। রাজধানীর অলিতে গলিতে আগুন জ্বলছে।
মোদী সরকারের কারফিউ ভেঙে রাস্তায় নেমেছেন লাখো মানুষ। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সহিংসতার বেশীরভাগ ঘটনায় মুসলিমদের বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলার খবর পাওয়া গেছে।
উত্তর-পূর্ব দিল্লির মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় মুসলমানদের ঘর-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, মসজিদে আগুন দিয়ে মিনারের চূড়ায় হনুমানের পতাকা লাগিয়ে দিয়েছে উগ্র হিন্দুরা।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি ও আল জাজিরার রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাংবাদিকরা দেখতে পেয়েছেন একটি মসজিদ আংশিক পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
সেখানে ইতস্তত ছড়িয়ে আছে ধর্মীয় গ্রন্থের কিছু পৃষ্ঠা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব ছবি, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে তাতে ওই শহরটির একটি হিম শীতল রূপ ধরা পড়েছে।
অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। দলবদ্ধভাবে লাঠি, লোহার রড এবং ইটপাথর হাতে লোকজনকে দেখা গেছে রাস্তায়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শান্তি ফিরিয়ে আনার আবেদন জানানো ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের উপদ্রুত এলাকা সফরের পরেও বুধবার অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গিয়েছে ভজনপুরা, মৌজপুর ও কারাওয়াল নগর এলাকাগুলোতে। মৌজপুর, জাফরাবাদের মতো বেশ কয়েকটি এলাকার পরিস্থিতি এখনও থমথমে।
