স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আরো সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন ‘আমি মনে করি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যখন বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করে, তখন প্রথম থেকেই তাদের আরও সতর্কতা অবলম্বন প্রয়োজন ছিল। তাহলে সাহেদের রিজেন্ট কিংবা জেকেজি’র মতো প্রতিষ্ঠান এক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ পেতো না।’
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সাহেদের দুর্নীতি সরকারই উদ্ঘাটন করেছে এবং সাহেদের প্রতিষ্ঠানের এমডিকে গতকালই (মঙ্গলবার) গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া, তার প্রতিষ্ঠানের আরও অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাহেদকেও গ্রেফতার করেছে। এতে প্রমাণিত হয়, বিএনপি ক্রমাগত অবান্তর কথা বলে এবং এ নিয়ে বিএনপি এতদিন যা বলে এসেছিল, সেগুলো তারই ধারাবাহিকতা।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দুর্নীতি-অনিয়মের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে কে কোন দল বা মতের সেটি কখনোই দেখা হয়নি। যদি আওয়ামী লীগের কেউ হয়, এমনকি পদধারী নেতাও যদি হয়, তার বিরুদ্ধেও কিন্তু অতীতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আর যদি সাহেদের মদদদাতা ধরতে হয়, তাহলে হাওয়া ভবন থেকে যারা মদদ দিয়েছিল এবং স্কাইপিতে যখন তারেক রহমানের সঙ্গে সে কথা বলে, সে ব্যাপারে বিএনপি কী বলবে?’ তবে সাহেদের অপকর্মের সঙ্গে যদি অন্য কেউ যুক্ত থাকে, তদন্তে যদি সেটি বেরিয়ে আসে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
