ব্রেকিং নিউজঃ

ইংরেজি মিডিয়ামে পড়লেই মেধাবী, বাংলায় পড়লে নয়?

‘ইংরেজি মিডিয়ামে পড়লেই মেধাবী, আর বাংলা মিডিয়ামে যারা পড়ে তারা মেধাবী নয়। আমরা কিন্তু নিরেট বাংলা মিডিয়ামে পড়ে আসছি।’ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ইংলিশ মিডিয়াম থেকে পাস করা ‘মেধাবীরা’ দেশের বাইরে চলে যাওয়ার বিষয়ে বিএনপির হারুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্যের কথায় মনে হচ্ছে, ইংরেজি মিডিয়ামে পড়লেই মেধাবী, আর বাংলা মিডিয়ামে যারা পড়ে তারা মেধাবী নয়। আমরা কিন্তু নিরেট বাংলা মিডিয়ামে পড়ে আসছি। হয়ত মেধাবী না, তবে একেবারে খারাপ যে- তাও না। আরেকটু ভালো পড়ার সুযোগ পেলে ভালো রেজাল্ট করতে পারতাম।

ইংরেজি মিডিয়ামে যারা পড়ছে তাদের জন্য কেন কোটা রাখতে হবে? কোটা রাখার যৌক্তিকতা দেখি না। বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা মানুষের মাঝে আছে। একটা প্রবণতা আছে, যেনতেনভাবে পাস করলেই যেন একটা চাকরি পেয়ে যাবে। অনেক সময় দেখা যায় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় টিকতে পারে না বা চাকরি পায় না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমার একটা কথা হচ্ছে, সবাই চাকরির পেছনে ছুটবে কেন? বরং আমাদের ছেলেমেয়েরা যারা মেধাবী তারা নিজেরাই কিছু করবে যাতে আরও ১০জনকে  চাকরি দিতে পারে। সেজন্য আমরা স্টার্টার্ট আপ বলে একটা আইন করে অর্থও রেখেছি। একটা ফান্ড করা হয়েছে।

সেখান থেকে টাকা নিয়ে তারা কাজ করে নিজেরা উপার্জনের পথ করতে পারে আরও ১০ জনকেও কাজ দিতে পারে। চাকরির প্রবণতাটা বিদেশে খুব বেশি নেই। আমাদের এখানে বেশি। এই প্রবণতা কমিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা স্বপ্রণোদিতভাবে করার দিকে মনোযোগ দিলে কোনও সমস্যা হয় না।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকোর্স বন্ধ বিষয়ে জানতে চেয়ে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু যে প্রশ্ন করেন তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেশনজট বেশি থাকার কারণে দুই শিফটে পড়ানো বা সান্ধ্যকালীন কোর্সে পড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এটা ঠিক যে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকক্ষেত্রে শিক্ষকেরা নিজের প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নেওয়ার ব্যাপারে যতটা না আন্তরিক বেসরকারি কোথাও ক্লাস নিতে তারচেয়ে বেশি আন্তরিক হয়ে পড়েন। তাতে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে মাঝে মাঝে সমস্যা হয়। তবে সেগুলো আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সান্ধ্যকালীন কোর্সের ব্যাপারে মাননীয় রাষ্ট্রপতিও উল্লেখ করেছেন। এ ব্যাপারে যাতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয় সেটা আমরা দেখছি। তবে এজন্য আইন করার প্রয়োজন নেই। আমার মনে হয় সবকিছুতে আইন লাগে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অথবা ইউজিসি ব্যবস্থা নিতে পারে। এটা কোনও বিষয় না। এ বিষয়টা আমরা দেখবো কেন সমস্যা দেখা দিচ্ছে?

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

April 2026
F S S M T W T
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930