মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করুন নিরাপদ উপায়ে
মুখ সুন্দর ও পরিষ্কার দেখাতে অবাঞ্ছিত লোম অপসারণ করে থাকেন অনেকেই।
যদিও মুখে লোম থাকা কোনো সমস্যার বিষয় নয়। তবে অনেকেই নিয়মিত মুখের লোম তুলে ফেলেন। এতে মুখ দেখতে পরিষ্কার লাগে।
তবে লোম উঠানোর বিভিন্ন পদ্ধতি বেশ যন্ত্রণাদায়ক হওয়াই অনেকেই করতে চান না।
তবে কিছু ঘরোয়া উপায়ে কিন্তু আপনি ব্যথামুক্ত ও নিরাপদভাবে লোম উঠাতে পারবেন।অনেকেই টুইজার বা চিমটা ব্যবহার করতে ভয় পান।
তবে মুখ ও ভ্রুয়ের চারপাশের অবাঞ্ছিত লোম তুলতে টুইজার নিরাপদ। বিশেষত যারা নিজে নিজের লোম তুলে থাকেন তাদের জন্য এটা সহজ ও নিরাপদ উপায়। টুইজার ব্যবহার নিখুঁত মনে না হলে ‘থ্রেডিং’ বেছে নিতে পারেন।
এতে খানিকটা ব্যথা পেলেও লোম তোলার ক্ষেত্রে এটা ভারতের বেশ পুরানো ও প্রচলিত। ‘থ্রেডিং’ অভজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তির কাছে করা প্রয়োজন।
এবং থ্রেড করা হয়ে গেলে ত্বকে বরফ ব্যবহার করুন, আরাম পাবেন।
মুখে খুব বেশি লোম থাকলে ও এর পুরুত্ব বেশি হলে ওয়াক্সিং করা কার্যকর। মুখ ওয়াক্সিং করতে অবশ্যই প্রচণ্ড ব্যথা সহ্য করার মতো মানসিকতা থাকতে হবে।বর্তমানে ‘ওয়াক্সিং স্ট্রিপ’ পাওয়া যায়।
এর ফলে গরম তরলের ওয়াক্স মুখে ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। ঘরোয়া তাপমাত্রায় এটাই মুখে ওয়াক্স করার সহজ ও নিরাপদ উপায়। স্থায়ী ফলাফলের জন্য লেজার ব্যবহার-
নিয়মিত মুখের লোম তুলে যদি বিরক্ত হয়ে যান তাহলে স্থায়ী ফলাফলের জন্য লেজার ব্যবহার করতে পারেন। এটা এক কালীন খরচের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জন্য সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে।স্থায়ী ফলাফলের জন্য
লেজার ব্যবহার-
নিয়মিত মুখের লোম তুলে যদি বিরক্ত হয়ে যান তাহলে স্থায়ী ফলাফলের জন্য লেজার ব্যবহার করতে পারেন।
এটা এক কালীন খরচের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জন্য সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে।
লেজার লোমের ফলিকল গোড়া থেকে নষ্ট করে দেয় এবং বৃদ্ধি প্রতিহত করে। তবে লেজার করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
