পবিত্র কোরআন অনুস’রণ না করাই বিশ্বের মুসলিমদের সমস্যার অন্যতম কারণ : আয়াতুল্লাহ খামেনি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ উজমা খামেনি বলেছেন, কয়েকটি মুসলিম দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের দালা’লি করছে।
ইরানে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী হাফেজ ও কারিদের এক সমাবেশে সম্প্রতি তিনি এ কথা বলেন। খবর পার্স নিউজের।
খামেনি বলেন, পবিত্র কোরআন পৃথিবীতে সম্মান-মর্যাদা, কল্যাণ, উন্নয়ন, শ’ক্তি-সাম’র্থ্য, সংহ’তি ও সুন্দর জীবন ব্যবস্থা এবং পরকালের সুখ-শান্তির ক্ষে’ত্র প্রস্তুতকারী হিসেবে কাজ করে।
কিন্তু বর্তমানে কোনো কোনো মুসলিম দেশের শীর্ষ নেতা সিরিয়া ও ইয়েমেন যু’দ্ধের মতো সংঘা’ত এবং মুসলমান হ’ত্যার ক্ষেত্র তৈরির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে মুসলিম বিশ্ব তথা গোটা মানবসমাজের অধিকাংশ সম’স্যা ও সংক’টের কারণ হচ্ছে পবিত্র কোরআনকে অনুস’রণ না করা। আরো পড়ুন… ২৪ তারিখ থেকে হায়া সোফিয়াতে নামাজ আদায় করতে পারবেন মুসল্লিরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তুরস্কের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মসজিদে রূপান্তর হওয়া হায়া সোফিয়াতে নামাজের সময় ঢেকে দেয়া হবে ভেতরের খ্রিস্টীয় চিহ্নগুলো।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, চলতি মাসের ২৪ তারিখ থেকে হায়া সোফিয়াতে নামাজ আদায় করতে পারবেন মুসল্লিরা।
তবে নামাজের সময় মসজিদটির ভেতরে থাকা খ্রিষ্টীয় চিহ্ন বিশেষ একটি লেজারের মাধ্যম ঢেকে দেওয়া হবে বলে ক্ষমতাসীন এ কে পার্টির এক মুখপাত্র জানান। ওমর সেলিক জানান, জাদুঘরের ভিতর বহু জায়গায় ঐতিহাসিক চিহ্ন রয়েছে।
সেগুলোকে আপাতত নামাজের সময় ঢেকে রাখা হবে। এ কে পার্টির এই মুখপাত্র জানান, নামাজের সময় ছাড়া অন্যান্য সময় দর্শনার্থীদের জন্য হায়া সোফিয়া খোলা থাকবে, ঐতিহাসিক চিহ্নগুলো উন্মুক্ত থাকবে। দর্শনার্থীরা বিনা খরচে এটি পরিদর্শন করতে পারবে।
তবে পরবর্তী সময়ে খ্রিস্টীয় চিহ্নগুলো একেবারে মুছে ফেলা হবে কি না তা নিয়ে তিনি কিছুই বলেননি। ষষ্ঠ শতাব্দীতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অধিপতি সম্রাট প্রথম জাস্টিনিয়ানের নির্দেশে আয়া সোফিয়া নির্মিত হয়। ওই সময় এটিই ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গির্জা।
এরপর ১৪৫৩ সালে ইস্তাম্বুল অটোম্যান সাম্রাজ্যের দখলে গেলে একে মসজিদে পরিণত করা হয়। ১৯৩৪ সালে মুস্তফা কামাল আতাতুর্ক স্বাক্ষরিত এক ডিক্রিতে মসজিদটিকে জাদুঘরে পরিণত করা হয়।
হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরিত করলেও এর ভেতরে বহু জায়গায় খ্রিষ্টীয় চিহ্ন রয়েছে। জাদুঘর হিসাবে দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠলেও সেই চিহ্নগুলোকে সরানো হয়নি।
