• আজঃ বৃহস্পতিবার, ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই আগস্ট, ২০২০ ইং
  • English
ব্রেকিং নিউজঃ

৬০ হাজার বছর আগেই মানবদেহে ঢোকে করোনার জিন!

মানুষের আদিপুরুষ নিয়ানডারথালদের মানুষের দেহে এসেছে করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত জিন। ‘হোমিনিন’ (মনুষ্যগোত্রীয়) গোষ্ঠীর এই প্রজাতির অস্তিত্ব ছিল পৃথিবীতে ৬০ হাজার বছর আগে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণায়।

শুধু তাই নয়, গবেষণায় বলা হয়েছে, জিনের যে অংশটি সংক্রমণের জন্য দায়ী তা দক্ষিণ এশিয়ায় বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

সেই গবেষণা করেছেন সুইডেনের দুই জিন বিশেষজ্ঞ ভ্য়ান্তে পাবো এবং হুগো জেবার্গ। তাতে যুক্ত ছিল জার্মানির ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট, জাপানের ওকিনাওয়া ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্য়ান্ড টেকনোলজি এবং সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটও।

গবেষণায় বলা হয়, ইউরোপের (প্রায় আট শতাংশ) তুলনায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের (প্রায় ৩০ শতাংশ) মানুষের সংক্রমিত হওয়ার হার বেশি। কারণ ওই জিনের অংশ দক্ষিণ এশিয়ার মানুষদের ক্ষেত্রে বেশি প্রভাবশালী বলে গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।

গবেষণায় সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের কথা উঠে এসেছে। বলা হয়েছে, জিনের যে অংশটি সংক্রমণের জন্য দায়ী তা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বেশি দেখা যায়। বাংলাদেশের কমপক্ষে ৬৩ শতাংশ মানুষের শরীরে ক্রোমোজোম ৩-এর অংশ রয়েছে। ব্রিটেনে করোনা মহামারিতে প্রচুর বাংলাদেশি মারা গেছেন।

বিজ্ঞানী পাবো মনে করেন, এত বাংলাদেশির মৃত্যুর পেছনের কারণ হয়তো এটাই। গবেষণা অনুযায়ী, ওই নির্দিষ্ট জিনটি পূর্ব এশিয়ার মাত্র চার শতাংশ বাসিন্দার বহন করেন। আফ্রিকায় সেই জিনের একেবারেই উপস্থিতি মেলেনি।

‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত অপর একটি গবেষণাপত্র অনুযায়ী, নিয়ানডারথালের ডিএনএ’র দু-তিন শতাংশ নিয়ে আধুনিক এশিয়া এবং ইউরোপের মানুষের জিন গঠিত। হাজার হাজার বছর আগে আন্তঃপ্রজননের কারণে তা হয়েছে বলে গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। আপাতত কোনো বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত না হলেও গবেষণার যে সংক্ষিপ্তসার প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দাবি করা হয়েছে, বর্তমান মহামারির ক্ষেত্রে নিয়ানডারথালের জিনের খারাপ প্রভাব পড়েছে।

ফেসবুকে লাইক দিন

Latest Tweets

তারিখ অনুযায়ী খবর

August 2020
SSMTWTF
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031